প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি শুরু

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি শুরু

নির্বাচনী ইসতেহার বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এটি মূলত এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, যা কৃষকদের জন্য নতুন আধুনিক সুবিধা ও অধিকার নিশ্চিত করবে। সকাল সাড়ে ১২টায় টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি দুপুরে ঢাকা থেকে সড়ক পথে রওনা হয়ে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানোর

নির্বাচনী ইসতেহার বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এটি মূলত এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, যা কৃষকদের জন্য নতুন আধুনিক সুবিধা ও অধিকার নিশ্চিত করবে। সকাল সাড়ে ১২টায় টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি দুপুরে ঢাকা থেকে সড়ক পথে রওনা হয়ে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানোর জন্য মাজার জিয়ারতের সূচি পরিবর্তন করে সরাসরি সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। এছাড়া, বিকেলে তিনি টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন শেষে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। ফলে এই দিনটি কৃষকদের জন্য নতুন এক স্বপ্নের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হলো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এই প্রকল্পের গুরুত্ব emphasize করে বলেছেন, “বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর একের পর এক বাস্তবায়ন করছেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের জীবনের মান উন্নয়ন করা।” কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে কাছাকাছি ৩০ লাখ কৃষক এই কার্ডের আওতায় আসবেন। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, এই বিশাল প্রকল্পটি পরীক্ষামূলক পর্যায় থেকে শুরু করে মোট তিন ধাপে দেশব্যাপী সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা সুবিধা ভোগ করবেন। এর মধ্যে রয়েছে সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষি সরঞ্জাম ও সেচ সুবিধা, ব্যাংক ঋণের সহজ প্রাপ্যতা, সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা ও ভর্তুকি, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ওপর ছাড়, মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজারের তথ্য লাভ, ফসলের নিরাপত্তা ও উন্নত ফলন নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ। পাশাপাশি, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি বিমা সুবিধা, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম ও সরাসরি বিক্রির অধিকারও নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্যোগ কৃষকদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা দেশের কৃষি উন্নয়নে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos