ধানমন্ডিতে পুরোনো নামে নতুন বছরের বরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা

ধানমন্ডিতে পুরোনো নামে নতুন বছরের বরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় বিভিন্ন বয়সের মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনকে বরণ করার জন্য ‘বর্ষবরণ পর্ষদ’ আয়োজন করে রঙিন ও বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠান, যা মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শুরু হয়। শুভ সূচনা হয় সকালে পয়লা বৈশাখের জাতীয় সংগীত, ধনধান্য পুষ্প ভরা এবং এসো হে বৈশাখ—এই তিন

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় বিভিন্ন বয়সের মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনকে বরণ করার জন্য ‘বর্ষবরণ পর্ষদ’ আয়োজন করে রঙিন ও বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠান, যা মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শুরু হয়।

শুভ সূচনা হয় সকালে পয়লা বৈশাখের জাতীয় সংগীত, ধনধান্য পুষ্প ভরা এবং এসো হে বৈশাখ—এই তিন গান পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর সকাল ৯টায় শুরু হয় সমবেত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশনের আয়োজন। এরপর, ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের মীনাবাজারের সামনে থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রঙিন পোশাক পরা শিশু, নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণে এই শোভাযাত্রা ধনধান্য পুষ্প ভরা এবং আলোড়িত করে এলাকার পরিবেশ। এটি রাপা প্লাজার চারপাশের রাস্তা ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিকেল ১১টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে ব্রতচারী, নৃত্য, মূকাভিনয়, আবৃত্তি ও একক সংগীতের বিভিন্ন পরিবেশনা উপভোগ করেন সাধারণ দর্শকরা। প্রবাহের ধারায় বিকালের বিস্তারিত কর্মসূচি অব্যাহত থাকে, যেখানে উদীচী, সংস্কৃতি কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা অংশ নেন। এ সময় একক সংগীতশিল্পী হিসেবে হাজির হন মকবুল আহমেদ, সুকুমার বিশ্বাস, নারায়ণ চন্দ্র শীল, পীযূষ বড়ুয়া, মনিরা রওনক বুবলি, আখি হালদার, শাওন রায়, অরুনিমা আহমেদ প্রথমা, শিল্পী সাহা ইত্যাদি।

এছাড়াও, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শিল্পীরা বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। বেলায়েত হোসেন, লায়লা আফরোজ, নায়লা তারান্নুম কাকলি, মো. মাসুদ উজ জামান, শিখা সেনগুপ্তা, অনিকেত রাজেশ, শাহদাত হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, অলক বসু, শাহীদা ফাল্গুনী, মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ও মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন শিল্পীর একক পরিবেশনা অনুষ্ঠানস্থলে সোহাগের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ব্রতচারী নৃত্য ও মূকাভিনয় পরিবেশনা করেন তক্ষশীলা বিদ্যালয়ের শিল্পীরা। পুরো অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে সরদার হিরক রাজা ও তাঁর সঙ্গীদের বাউলগানের পরিবেশনায়। এই দিনটি ছিল বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও নববর্ষের অনন্য মিলনমেলা, যা শহরবাসীর মনে নতুন year’s সূর্যোদয়কে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos