বিমা খাতের দাপটে শেয়ারবাজারে বেড়েছে সূচক ও লেনদেন

বিমা খাতের দাপটে শেয়ারবাজারে বেড়েছে সূচক ও লেনদেন

দীর্ঘদিন পর দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার নেতৃত্ব দিয়েছে বিমা খাতের কোম্পানিগুলো। এ খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধিতে সামগ্রিক বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, বেড়েছে সূচক ও লেনদেন। রোববার (১২ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় সব বিমা কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে দেখা যায়। একই চিত্র ছিল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), যেখানে দাম বাড়ার তালিকা বড়

দীর্ঘদিন পর দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার নেতৃত্ব দিয়েছে বিমা খাতের কোম্পানিগুলো।

এ খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধিতে সামগ্রিক বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব

পড়েছে, বেড়েছে সূচক ও লেনদেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় সব বিমা

কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে দেখা যায়। একই চিত্র ছিল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও

(সিএসই), যেখানে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বিমা কোম্পানিগুলোর হিসাব বছর শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের লভ্যাংশ

ঘোষণার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এর প্রভাবেই শেয়ারদরে ঊর্ধ্বগতি

দেখা গেছে।

লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সূচক নিম্নমুখী ছিল। তবে আধাঘণ্টার

মধ্যেই বিমা খাতের শেয়ারদর বাড়তে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত এই ধারা বজায় থাকে। ফলে

দিনের শেষে অধিকাংশ বিমা কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী

বাজারে লেনদেন শেষ হয়।

দিনশেষে ডিএসইতে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে

১৪৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬৬টি। বিমা খাতের ৫৬টির মধ্যে ৫৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে

মাত্র দুইটির।

ভালো মানের বা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দেওয়া ১০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে,

কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টি। মাঝারি মানের ৫০টি কোম্পানির মধ্যে অধিকাংশের

দাম বেড়েছে। ‘জেড’ শ্রেণির ৩২টি কোম্পানির শেয়ারদর বাড়লেও ৫২টির কমেছে। মিউচুয়াল

ফান্ডের ক্ষেত্রে সাতটির দাম বেড়েছে, সাতটির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল।

দাম বাড়ার প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার

২৭১ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য বেড়ে ২ হাজার ২ পয়েন্টে পৌঁছালেও শরিয়াহ সূচক ২

পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬১ পয়েন্টে নেমেছে।

প্রধান মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে

লেনদেন হয়েছে ৮৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৭৭৬ কোটি ৮৬ লাখ

টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—লাভেলো

আইসক্রিম, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কেডিএস এক্সসরিজ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, ডমিনেজ

স্টিল বিল্ডিং, বিডিকম অনলাইন এবং গোল্ডেন সন।

অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে দশমিক ৯৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে

লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে

৭৮টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি টাকা। আগের

কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১১০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos