জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও স্মৃতি জাদুঘর বিল সংসদে পাস

জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও স্মৃতি জাদুঘর বিল সংসদে পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে আইনপত্র অনুমোদন পেল। সংসদে এই বিলটি সর্বসম্মতিতে পাস হয়েছে। এই আইনটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য হলো শহীদ পরিবার ও আহত লড়াকুদের উন্নয়ন ও সচ্ছলতা সাধন, পাশাপাশি ১৯৬১ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও মূলমন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করা। এর পাশাপাশি ইতিহাস সংরক্ষণেরও

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে আইনপত্র অনুমোদন পেল। সংসদে এই বিলটি সর্বসম্মতিতে পাস হয়েছে। এই আইনটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য হলো শহীদ পরিবার ও আহত লড়াকুদের উন্নয়ন ও সচ্ছলতা সাধন, পাশাপাশি ১৯৬১ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও মূলমন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করা। এর পাশাপাশি ইতিহাস সংরক্ষণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা মনে করেন, এই আইন জুলাই আন্দোলনের সত্যিকার অার্থপ্রধান মূল্যবোধকে সংরক্ষণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংসদে এই বিলটি রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান উত্থাপন করেন। এরপর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটির পক্ষে ভোট দেন। সম্মিলিত গণভোটে সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। স্পিকার বিল পাসের ঘোষণা দিলেই সংসদ কক্ষে দীর্ঘস্থায়ী করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। সদস্যরা দাঁড়িয়ে এবং টেবিল চাপিয়ে এই মুহূর্তকে স্বাগত জানান। কেউ কেউ এটিকে ‘বিপ্লবের আইনি স্বীকৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা বিরোধীদলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিলের উদ্দেশ্য হলো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্য কল্যাণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা স্থাপন, ইতিহাসের সত্যতা ও মর্যাদা রক্ষাসহ এই ঘটনার মূল অনুপ্রেরণাকে টেকসইভাবে স্মৃতির সাথে সংযুক্ত করা। এর মাধ্যমে ইতিহাসের সত্যায়ন ও তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রেরণাদায়ক বিষয়গুলো সংরক্ষণে এই আইনের ভূমিকা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৭ জুন মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গেজেট প্রকাশ করা হয়, যা এখন সংসদে বিল হিসেবে পাসের মাধ্যমে স্থায়ী আইন হিসেবে পরিণত হলো।

অপরদিকে, জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, চিত্র ও দলিলাদি সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি পৃথক বিলও সংসদে পাস হয়েছে। সেই বিলটি শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উত্থাপন করেন। কণ্ঠভোটের মাধ্যমে এটি পাস হয়, যদিও বিরোধী দলনের সদস্যরা কিছু আপত্তি জানান। তবে বিধি অনুযায়ী, স্পিকার তা গ্রহণ করেননি। এই উদ্যোগটি ঐতিহাসিক স্মৃতির সংরক্ষণ ও যুবসমাজকে এই ঘটনাগুলোর মূল শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos