ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আবারও ডাগআউটে ফিরতে যাচ্ছেন জিনেদিন জিদান। এই বার্তাটি নিশ্চিত করেছে ফরাসি ফুটবল সংস্থা, যেখানে তিনি নিজ দেশের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এর মাধ্যমে চার বছরের বিরতির পর আবারও ফুটবল মাঠে সক্রিয় হতে চলেছেন এই কিংবদন্তি, যিনি ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করেছিলেন। স্প্যানিশ
ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আবারও ডাগআউটে ফিরতে যাচ্ছেন জিনেদিন জিদান। এই বার্তাটি নিশ্চিত করেছে ফরাসি ফুটবল সংস্থা, যেখানে তিনি নিজ দেশের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এর মাধ্যমে চার বছরের বিরতির পর আবারও ফুটবল মাঠে সক্রিয় হতে চলেছেন এই কিংবদন্তি, যিনি ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করেছিলেন। স্প্যানিশ গণমাধ্যম ‘দিয়ারিও এএস’ নিশ্চিত করেছে যে, জিদানের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি চূড়ান্ত এবং তিনি মৌখিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সম্মত হয়েছেন।
দিদিয়ের দেশম, ফ্রান্সের বর্তমান কোচ, গত মাসে ঘোষণা করেছিলেন যে, ২০২৬ বিশ্বকাপের পর তিনি তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন। সেই নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, সেখানে তাঁর উত্তরসূর হিসেবে জিদানের নাম অনেক আগে থেকেই সামনে আসছিল। ফলে, ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সাথে দীর্ঘ আলোচনা শেষে, এই মহাতারকার সম্মতিতে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হয়। এখন, বিশ্বকাপের পর থেকেই নতুন এই অধ্যায়ের সূচনা ঘটছে ফ্রান্সের ডাগআউটে।
২০২১ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে স্বেচ্ছায় ফুটবল থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করেছিলেন জিদান। এর পরে বিভিন্ন শীর্ষ ইউরোপিয় ক্লাব থেকে প্রস্তাব পেয়েও তিনি জাতীয় দলের দায়িত্বের জন্য অপেক্ষা করেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এক বড় ক্লাব তাঁকে সরাসরি কোচ হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব দিলেও, তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন আর বলেছেন যে, তার ভবিষ্যৎ গন্তব্য ইতিমধ্যেই নির্ধারিত।
কোচ হিসেবে জিদানের ক্যারিয়ার অসাধারণ. রিয়াল মাদ্রিদে তিনি টানা তিনটি ইউফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের মাধ্যমে ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ হিসেবে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জিদানের এই প্রত্যাবর্তন ফ্রান্স ফুটবল অ্যাকাডেমিকে নতুন প্রাণসঞ্চার দেবে। বিশেষ করে তার দেশি স্টার কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে রসায়ন ফরাসি ফুটবলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা।
এখনো পুরো ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের পরের মুহূর্তের দিকে, যখন জিদান আবারও ডাগআউটে তাঁর জাদুকরী নেতৃত্ব দেখাবেন। তাঁর এই ফিরে আসার খবর শুধু ফ্রান্স নয়, গোটা বিশ্বে তাঁর অসংখ্য ভক্তের মনে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে জিজুর হাত ধরে ফরাসি ফুটবল দল কতটা সফলতা অর্জন করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।











