নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এক নৃশংস ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চারজন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তরা আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল, অস্ত্র এবং গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে নওগাঁ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এক নৃশংস ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চারজন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তরা আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল, অস্ত্র এবং গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে নওগাঁ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, দুই দিন আগে ঘটে যাওয়া এই ডাকাতির ঘটনায় চারজনকে মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন, নওগাঁ সদর থানার দোগাছী গ্রামের গোলাম মোস্তফা শ্যামল (৫৫), মহাদেবপুর থানার শিবরামপুর গ্রামের মোস্তাক আহমেদ জাহিদুল (৪৬), সাপাহার থানার খোট্টাপাড়া গ্রামের আবু তাহের (৫৬), ও তার ছেলে কামাল হোসেন (২৩)। তারা তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নানা মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, ৩১ মার্চ রাতে পোরশার সরাইগাছী-খাট্টাপাড়া সড়কের ফকিরের মোড় সংলগ্ন ব্রিজের ওপরে একটি রশি দিয়ে সড়ক অবরোধ করে ডাকাতরা। ওই সময় মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া তিনজনকে ডাকাতরা জিম্মি করে, পরে আরও তিন জন আরোহীসহ তাদের একইভাবে আঘাত করে। এরপর পুলিশি তদন্ত ও প্রযুক্তির সাহায্যে এই চারজনকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অভিযোগে বলা হয়, ডাকাতরা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা, একটি স্মার্টফোন, তিনটি বাটন ফোন, এবং দুটি ১২৫ সিসির ডিসকভার মোটরসাইকেল লুট করে নিয়েছিল।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, এই চক্রের সদস্যরা এর আগে বিভিন্ন থানায় নানা অভিযোগের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও খুঁজে বের করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে সতর্কতা জারি করেন এবং একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রাপথ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।











