মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অস্থিতিশীলতায় বিশ্ব বাজারে খাদ্যের দাম হু হু করে বৃদ্ধি

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অস্থিতিশীলতায় বিশ্ব বাজারে খাদ্যের দাম হু হু করে বৃদ্ধি

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বুঝতে পারা হচ্ছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এফএও’র খাদ্যমূল্য সূচকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চ মাসে বিশ্ববাজারে খাদ্যদ্রব্যের গড় দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মূল

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বুঝতে পারা হচ্ছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এফএও’র খাদ্যমূল্য সূচকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চ মাসে বিশ্ববাজারে খাদ্যদ্রব্যের গড় দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য।

এফএও’র প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেছেন, ‘যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত খাদ্য ও জ্বালানির দামের বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিল। তবে যদি এই সংঘাত আগামী ৪০ দিনের বেশি চালায় বা সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকলে, কৃষকরা অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ৩৫ দিন পূর্ণ হয়েছে। ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেছেন, ‘চাষের জন্য কম সার ব্যবহারে বসতভিটা চাষ, চাষের পরিমাণ হ্রাস বা এমন ফসল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন চাষিরা, যেখানে সার কম লাগে। এর ফলে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেছে, যা প্রভাব ফেলবে চলতি বছরের অবশিষ্ট সময় এবং ভবিষ্যত年的 খাদ্য সরবরাহ ও দাম নির্ধারণে।’

জাতিসংঘের সূচক অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে ভেজিটেবল অয়েল বা উদ্ভিজ্জ তেলের দর সবচেয়ে বেশি বেড়েছে—ফেরার তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ। অপরিশোধিত তেলের দামের বৃদ্ধির প্রভাবে পাম অয়েলের দাম ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। প্রভাব পড়ছে লাখো মানুষের জীবনে। যুদ্ধের এই পর্যায়ে উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক ও শিল্প এলাকা লক্ষ্যবস্তু করছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাব শুধুমাত্র রণক্ষেত্রেই সীমিত নয়, বরং তা বিস্তৃত হয়েছে ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক স্তরে।

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা ইরানের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো উত্তেজনা প্রশমনের সংকেত পাওয়া যায়নি। বরং, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হামলার আরও জোরদার হুমকি দিয়ে থাকেন।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘সেতু ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনে ইরানিদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হবে না।’

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos