ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনো অটুট রয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে নতুন তথ্য

ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনো অটুট রয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে নতুন তথ্য

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরও ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি বলে উঠে এসেছে নতুন মূল্যায়নে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হামলা চললেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে এবং পাশাপাশি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরও ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ভেঙে

পড়েনি বলে উঠে এসেছে নতুন মূল্যায়নে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, এক

মাসেরও বেশি সময় ধরে হামলা চললেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র

লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও সচল

রয়েছে এবং পাশাপাশি হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে

সংরক্ষিত আছে।

তবে কিছু লঞ্চার ব্যবহারযোগ্য নয়, কারণ বিমান হামলার পর সেগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে

চাপা পড়ে অপ্রবেশযোগ্য হয়ে গেছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দাবি

করেছিলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।

এই মূল্যায়ন ইসরাইলের আগের দাবির সঙ্গেও পুরোপুরি মেলে না। গত মার্চে ইসরাইল

জানিয়েছিল, ইরানের আনুমানিক ৪৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের মধ্যে প্রায়

৬০ শতাংশ ধ্বংস বা অকার্যকর করা হয়েছে।

তবে ফাঁস হওয়া মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণ এসব দাবির সঙ্গে অসামঞ্জস্য দেখাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘অক্ষত কিন্তু ব্যবহারযোগ্য নয়’—এ ধরনের লঞ্চারকে কীভাবে

শ্রেণিবিন্যাস করা হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য

থেকেই এই ভিন্নতা তৈরি হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্যে বলা হয়েছে, হামলায় প্রায় ২০০টি লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে

এবং আরও ৮০টি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। এসব স্থাপনা ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে ছিল, যেখানে

প্রবেশপথ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের কাছে এখনো বিপুলসংখ্যক আক্রমণাত্মক

ড্রোন মজুত রয়েছে, যা প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।

একটি সূত্র সতর্ক করে বলেছে, ইরান এখনো ‘পুরো অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর

সক্ষমতা রাখে।’

তবে এই প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। হোয়াইট

হাউসের এক মুখপাত্রের অভিযোগ, এ ধরনের তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে যৌথ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল

অভিযানের সাফল্য খাটো করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos