আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, সিনিয়র সহকারী সচিবের শাস্তি

আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, সিনিয়র সহকারী সচিবের শাস্তি

সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার জন্য সিনিয়র সহকারী সচিব রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে। এই শাস্তির অংশ হিসেবে তার বেতন দুই বছর বৃদ্ধি হবে না। রুম্পা সিকদার নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থাকাকালে এ অনিয়মের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়

সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার জন্য সিনিয়র সহকারী সচিব রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে। এই শাস্তির অংশ হিসেবে তার বেতন দুই বছর বৃদ্ধি হবে না। রুম্পা সিকদার নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থাকাকালে এ অনিয়মের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকার বুধবার তাকে শাস্তি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের ৮ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত সময়ে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায়ে ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পেয়েছিলেন। এর মধ্যে মাটিভাঙ্গা (চর ষাটপাকিয়া) এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।

তবে পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, একাংশের ঘর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়নি, যার সংখ্যা সর্বমোট ৫৫টি। এই বিষয়টি জানতে প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসে, যার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীর সঙ্গে যোগাযোগ করে مسؤولের দেয়া প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কাজ চলছিল।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, রুম্পা সিকদার তার দায়িত্বকালীন সময়ের মধ্যে অনির্মিত ৫৫টি ঘর নির্মাণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বরং, প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের চেকের স্বাক্ষর করেন, যা দায়িত্বের অবহেলা এবং অনিয়মেরই ধারাবাহিকতা। এ ছাড়াও, গৃহ নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন। এসব কারণে তাকে ‘অসদাচরণ’ এর জন্য দায়ী বলে মনে করে সরকার।

এর ফলে, ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের হয়। তদন্তে জানা যায়, তিনি ও অন্য কর্মকর্তা যৌথ স্বাক্ষরে ঘর নির্মাণের টাকা উত্তোলন করলেও, তার ব্যয় বা নির্মাণের পরিমাণের যথাযথ নথিপত্র রাখেননি। এই অবহেলার জন্য প্রশাসনিক দক্ষতা লোপ পায় এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়।

উপসংহাতে, সব প্রমাণ সংকলন ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সরকার মনে করে যে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট পত্রাবলী নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তিনি দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিতসহ অন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সহজ ভাষায়, এই শাস্তি তার অনিয়মের জন্য নির্ধারিত কড়া প্রতিকার।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos