রেল প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি ও রাশিয়া থেকে সার আমদানির অনুমোদন

রেল প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি ও রাশিয়া থেকে সার আমদানির অনুমোদন

কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি এবং রাশিয়া থেকে এমওপি সার আমদানির দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি এবং রাশিয়া থেকে এমওপি

সার আমদানির দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত

মন্ত্রিসভা কমিটি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর অনুমোদনের ভিত্তিতে কুলাউড়া-শাহবাজপুর

সেকশন পুনর্বাসন প্রকল্পের পূর্ত কাজের জন্য কালিন্দী রেল নির্মাণ ডিভিশনের সঙ্গে

৫৪৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়েছিল। কাজ বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন পরিবর্তনের

কারণে টেন্ডারভুক্ত কিছু আইটেমের পরিমাণ বাড়ানো-কমানো, নতুন কিছু কাজ সংযোজন এবং

সিডি ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এর ফলে সিডি ভ্যাট বাবদ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ১৯ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য ১

কোটি ৭৫ লাখ টাকা যুক্ত হয়ে সংশোধিত ব্যয় দাঁড়ায় ৬৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এই সংশোধিত

ব্যয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত সংস্করণ পরিকল্পনা

মন্ত্রণালয় গত বছরের ২৫ মে অনুমোদন দেয় এবং এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে কুলাউড়া জংশন ইয়ার্ড সম্প্রসারণ, মিটারগেজ থেকে ডুয়েলগেজে

রূপান্তর, এমব্যাংকমেন্ট প্রশস্তকরণ, ব্রিজ ও কালভার্টের কাজ বৃদ্ধি, পিচের

পরিবর্তে রিজিড পেভমেন্ট ব্যবহার এবং নতুন ১৭টি আইটেম সংযোজনসহ বিভিন্ন কারণ উল্লেখ

করা হয়েছে। মোট ব্যয় বৃদ্ধি মূল চুক্তির তুলনায় প্রায় ১৪.২২ শতাংশ বেশি। একই বৈঠকে

রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রডিনটর্গ)থেকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় ৩৫

হাজার টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মাধ্যমে এই সার আমদানি করা হবে। নির্ধারিত মূল্য

অনুযায়ী মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ২৬ লাখ ১৮ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায়

প্রায় ১৫৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। প্রতি টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬০ দশমিক ৫৩

ডলার। এর আগে একই ধরনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত বছরের ২৪ জুলাই তা নবায়ন করা

হয়।

জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিএডিসির মাধ্যমে মোট ৮ লাখ ৫৯ হাজার টন এমওপি সার

আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়া থেকে আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৫৫

হাজার টন। এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭০ হাজার টন সার আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে বৈঠকে

উপস্থাপিত আরও তিনটি ক্রয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো প্রত্যাহার করে নেয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos