পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসরে অংশ নিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের চার তারকা ক্রিকেটার। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এবার রেকর্ড সংখ্যক ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলে ডাক পেয়েছেন। প্রথম ধাপে আজ সোমবার সকালে মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, পারভেজ হোসেন ইমন এবং তরুণ গতির তারকা নাহিদ রানা পাকিস্তানের উদ্দেশে
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসরে অংশ নিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের চার
তারকা ক্রিকেটার। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি
টুর্নামেন্টে এবার রেকর্ড সংখ্যক ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলে ডাক
পেয়েছেন। প্রথম ধাপে আজ সোমবার সকালে মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, পারভেজ
হোসেন ইমন এবং তরুণ গতির তারকা নাহিদ রানা পাকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
বাকি দুই ক্রিকেটার রিশাদ হোসেন ও তানজিদ হাসান তামিম খুব শীঘ্রই দ্বিতীয় ধাপে দলের
সঙ্গে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
এবারের আসরে দল পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান সরাসরি
চুক্তিতে নাম লিখিয়েছেন লাহোর কালান্দার্সে। তাঁর সঙ্গে একই দলে খেলার সুযোগ
পেয়েছেন তরুণ ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। অন্যদিকে, পেশোয়ার জালমিতে এবার বাংলাদেশি
শক্তির আধিক্য দেখা যাবে। নাহিদ রানার পাশাপাশি শরিফুল ইসলাম এবং ওপেনার তানজিদ
হাসান তামিমকেও দেখা যাবে পেশোয়ারের জার্সি গায়ে। এছাড়া বর্তমান সময়ের অন্যতম
আলোচিত লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন খেলবেন রাওয়ালপিন্ডির (পিন্ডিজ) হয়ে। বিশ্ব
ক্রিকেটের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই লিগে বাংলাদেশের এত সংখ্যক ক্রিকেটারের
অংশগ্রহণ দেশের ক্রিকেটের জন্য একটি ইতিবাচক সংবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে পিএসএলের পুরো আসর খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না এই ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট
বোর্ড (বিসিবি) তাদের আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র বা এনওসি প্রদান করেছে।
মূলত ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজের কথা মাথায় রেখেই
এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে নিউজিল্যান্ড দল তিনটি
ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে। জাতীয় দলের এই
গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের প্রস্তুতি ও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য পিএসএলের
মাঝপথেই ক্রিকেটারদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পিএসএলের এবারের আসরটি ক্রিকেটারদের জন্য বিশ্বকাপের প্রস্তুতির একটি বড় মঞ্চ
হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের কন্ডিশনে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের মতো
পেসাররা নিজেদের বোলিং ধার ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, রিশাদ হোসেনের লেগ
স্পিন এবং নাহিদ রানার গতি পাকিস্তানের উইকেটে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই তাকিয়ে
আছেন দেশের ক্রিকেট ভক্তরা। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এই ক্রিকেটাররা বিদেশের মাটিতে
নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে দেশে ফিরবেন এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজে জাতীয় দলের জয়ে
অবদান রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা বিসিবি ও সমর্থকদের।











