প্রথম চন্দ্র দর্শনের ভিত্তিতে চাঁদপুরের বিভিন্ন গ্রামে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের দীর্ঘদিনের রীতি থাকলেও এ বছর এক ব্যতিক্রমী ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) চাঁদপুরের সাদ্রা গ্রামে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাত্র সাতজন মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহির ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারী এই
প্রথম চন্দ্র দর্শনের ভিত্তিতে চাঁদপুরের বিভিন্ন গ্রামে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা
উদযাপনের দীর্ঘদিনের রীতি থাকলেও এ বছর এক ব্যতিক্রমী ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) চাঁদপুরের সাদ্রা গ্রামে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাত্র সাতজন
মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক
রহমতুল্লাহি আলাইহির ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারী এই ক্ষুদ্র দলটি
মধ্যপ্রাচ্যেরও একদিন আগে ঈদ উদযাপন করছে।
মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক এই আগাম ঈদ উদযাপনের পেছনে যুক্তি হিসেবে জানিয়েছেন যে
নাইজার ও মালিসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে চাঁদ দেখা গেছে। তার মতে সারা বিশ্বে যেহেতু
চাঁদ একটি তাই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে সব জায়গায় একই দিনে ঈদ হওয়া
উচিত। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই তারা আজ ঈদের জামাত সম্পন্ন করেছেন।
তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা মাওলানা
মুফতি আরিফ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে আগের মাসের চাঁদ এখনো শেষ না হওয়ায়
তারা আজ ঈদ উদযাপন করছেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে মাত্র
কয়েকজন মিলে এই জামাত করেছেন এবং তারা যে তথ্যের ভিত্তিতে ঈদের ঘোষণা দিয়েছেন
সেটিকে সঠিক বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।
সাধারণত চাঁদপুরের প্রায় ৪০টি গ্রামে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদ উদযাপিত হলেও
এবার এই মুষ্টিমেয় কয়েকজনের ঈদ উদযাপন স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।











