ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধের ময়দানে এক হামলায় আহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাঁর আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তিনি গুরুতর জখম হননি এবং বর্তমানে নিবিড় নিরাপত্তায় সুস্থ আছেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ইউসুফ

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধের ময়দানে এক

হামলায় আহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম

তাঁর আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তিনি গুরুতর জখম হননি এবং বর্তমানে নিবিড়

নিরাপত্তায় সুস্থ আছেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ইরানের বর্তমান

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ানও

মোজতবা খামেনির সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন।

ইউসুফ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান, তিনি

শীর্ষ নেতার আহত হওয়ার খবর শোনার পরপরই নির্ভরযোগ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে

যোগাযোগ করেছেন। সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন

যে, মোজতবা খামেনি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। যদিও রাষ্ট্রীয়

টেলিভিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদনে তাঁর আঘাতের ধরণ বা এই হামলার বিস্তারিত জানানো

হয়নি, তবুও এই ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল

মোড় নিয়েছে।

প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান মোজতবা খামেনিকে গত

রবিবার এক জরুরি অধিবেশনে ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব

এক্সপার্ট’ পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি

তেহরানের বাসভবনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এক প্রলয়ংকরী বিমান হামলায় আলি

খামেনির মৃত্যুর পর নেতৃত্বের এই শূন্যতা তৈরি হয়। ওই হামলায় খামেনি পরিবারের আরও

বেশ কয়েকজন সদস্যসহ উচ্চপদস্থ অনেক সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারান। এমন এক

ক্রান্তিলগ্নে মোজতবার কাঁধেই ন্যস্ত হয় দেশের নেতৃত্বের ভার।

মোজতবা খামেনি ব্যক্তিগত জীবনে ইতিপূর্বে কখনও কোনো সরকারি দায়িত্বে ছিলেন না কিংবা

কোনো নির্বাচনেও অংশ নেননি। তবে ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা তাঁর বাবার সময় থেকেই ইরানের

অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে

আসছিলেন। বিশেষ করে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক শক্তি ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর

(আইআরজিসি) সঙ্গে তাঁর নিবিড় সখ্য ও নিয়ন্ত্রণ তাঁর নেতৃত্বের মূল শক্তি হিসেবে কাজ

করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ইসরায়েলের ওপর পাল্টা আক্রমণ জোরদারের নির্দেশ দিয়ে

তিনি বিশ্বকে নিজের অনমনীয় মনোভাবের পরিচয় দিয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা

ভালো থাকলেও চলমান যুদ্ধের আবহে ইরানের এই শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে নতুন করে নিরাপত্তা

শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos