আতালান্তার মাঠে বিস্ময়কর জয় বায়ার্নের, হ্যারি কেইন ছাড়াই দাপুটে নাটকীয়胜

আতালান্তার মাঠে বিস্ময়কর জয় বায়ার্নের, হ্যারি কেইন ছাড়াই দাপুটে নাটকীয়胜

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে একমাত্র ইটালির প্রতিনিধিত্ব করা আতালান্তার সম্ভাবনা শেষ হয়ে আসছিল প্রথম লেগেই। নিজেদের মাঠে অপ্রতিরোধ্য বাভারিয়ানদের সামনে হেরে গেল স্বাগতিকরা। মঙ্গলবার রাতে জিউইস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ একপ্রকার আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। দলের মূল গোলমেশিন হ্যারি কেইন থাকলেও বল দখল ও আক্রমণে অসাধারণ দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণব্যুহ ভেঙে

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে একমাত্র ইটালির প্রতিনিধিত্ব করা আতালান্তার সম্ভাবনা শেষ হয়ে আসছিল প্রথম লেগেই। নিজেদের মাঠে অপ্রতিরোধ্য বাভারিয়ানদের সামনে হেরে গেল স্বাগতিকরা। মঙ্গলবার রাতে জিউইস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ একপ্রকার আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। দলের মূল গোলমেশিন হ্যারি কেইন থাকলেও বল দখল ও আক্রমণে অসাধারণ দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণব্যুহ ভেঙে দিয়ে ৬-১ ব্যবধানে বিশাল জয় অর্জন করে বাভারিয়ানরা। ম্যাচে শুরু থেকেই বল দখল এবং নিঁখুত আক্রমণের মাধ্যমে খেলতে থাকায় আতালান্তা পুরো ম্যাচে দিশেহারা হয়ে পড়ে।

ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটে বায়ার্ন ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। ১২তম মিনিটে ক্রোয়াট ডিফেন্ডার জোসিপ স্ট্যানিসিচ গোল করে প্রথম আঘাত করে। এর কিছুক্ষণ পর, বক্সের বাইরে থেকে নিপুণ আড়াআড়ি শটে মাইকেল ওলিসে ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ২৫ মিনিটে ওলিসের সহায়তায় বক্সে ঢুকে জার্মান উইঙ্গার সার্জি গ্যানাব্রি তৃতীয় গোলটি করেন। প্রথমার্ধের শেষে গ্যানাব্রির আরও একটি শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে বিরতিতে যাওয়ার সময়ে আরও বড় ব্যবধানের সুযোগ থেকে বেঁচে যায় আতালান্তা।

দ্বিতীয়ার্ধেও বায়ার্নের আক্রমণ অব্যাহত ছিল। ৫২ মিনিটে কলম্বিয়ান তারকা লুইস দিয়াজের পাস থেকে নিকোলাস জ্যাকসন গোল করেন। এরপর ১২ মিনিটের মধ্যে, নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন ওলিসে, ক্রুসের মতো গতি ও ক্ষিপ্রতায়। খেলার শেষ দিকে বদলি হিসেবে নামানো জামাল মুসিয়ালাও জ্যাকসনের পাস থেকে দারুণ এক শটে গোল করে স্কোর ৬-০ করেন। অন্যদিকে, আতালান্তার পারফরমেন্স ছিল খুবই দুর্বল। পুরো ম্যাচে মাত্র ৩০ শতাংশ বল দখলে রাখতে পেরেছে ইটালির দল, আর মাত্র আটটি আক্রমণ করতে সক্ষম হয় তারা। ম্যাচের শেষ সময়ে ইনজুরি টাইমে মারিও পাসালিচের গোল কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর আনুষ্ঠানিকতা ছিল।

বায়ার্নের এই বড় জয় অতি দ্রুত ফিরতি লেগের আগে তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাকে চূড়ান্ত করে দেয়। ২৫ শটের বিপরীতে ১৩টি লক্ষ্যে রাখায় প্রতিপক্ষকে সর্বদা চাপে রাখে দলটি, যা তাদের আবারও শিরোপার দৌড়ে অন্যতম দূর্বার দাবিদার করে তোলে। আগামী ১৮ মার্চ ফিরতি লেগের ম্যাচে বায়ার্ন স্বাগতিক হিসেবে আতালান্তাকে আতিথ্য দেবে। এই বড় ব্যবধান কাটিয়ে আসা আতালান্তার জন্য এখন পরিস্থিতি খুবই কঠিন এবং প্রায় অসম্ভব। সব মিলিয়ে ইউরোপের শিরোপা লড়াইয়ে আবারও নিজেদের শক্তি জানান দিল বায়ার্ন মিউনিখ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos