রেকর্ড গড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল ভারত

রেকর্ড গড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এক অনন্য ইতিহাস গড়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কিউইদের বিধ্বস্ত করার মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তিনবার শিরোপা জয়ের নজির গড়ল সূর্যকুমার যাদবের দল। একই সাথে প্রথম দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও এখন ভারতের দখলে। এর আগে ইংল্যান্ড এবং

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এক

অনন্য ইতিহাস গড়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে

কিউইদের বিধ্বস্ত করার মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তিনবার শিরোপা

জয়ের নজির গড়ল সূর্যকুমার যাদবের দল। একই সাথে প্রথম দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও এখন ভারতের দখলে। এর আগে ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দুবার করে এই গৌরব অর্জন করলেও এবারের জয়ের মধ্য দিয়ে টিম ইন্ডিয়া সবাইকে ছাড়িয়ে

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রমাণ করল।

আহমেদাবাদের মাঠে টস জিতে ভারতকে আগে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় নিউজিল্যান্ড

অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই তাণ্ডব শুরু করেন ভারতের দুই

ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সানজু স্যামসন। কিউই বোলারদের কোনো সুযোগ না দিয়ে পাওয়ার

প্লের ৬ ওভারেই ভারত কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান তুলে নেয়। বিধ্বংসী মেজাজে থাকা

অভিষেক শর্মা মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন, যা দলের জন্য বড় সংগ্রহের ভিত্তি

তৈরি করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৫১ রান করে তিনি আউট হন। এরপর ইশান কিষাণকে নিয়ে

তান্ডব বজায় রাখেন সানজু স্যামসন। ৪৬ বলে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে ৮৯ রানের

এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে জয়ের পথ প্রশস্ত করেন তিনি। ইশান কিষাণের ৫৪ এবং শেষ দিকে

শিবম দুবের ৮ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে

২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায়।

২৫৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে পড়ে

নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ হতে না হতেই ৩ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে

পড়ে তারা। কিউইদের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার ফিন অ্যালেন ৯ ও রাচিন রবীন্দ্র ১ রানে

প্যাভিলিয়নে ফেরেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে লড়াকু ফিফটি তুলে নেন

টিম সেইফার্ট। তিনি মাত্র ২৬ বলে ৫টি ছক্কায় ৫২ রান করেন, তবে তাঁর বিদায়ে কিউইদের

ঘুরে দাঁড়ানোর আশা পুরোপুরি ফিকে হয়ে যায়। দলের হয়ে অধিনায়ক স্যান্টনার সর্বোচ্চ ৪৩

রান করেন, তবে অন্য ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় পুরো দল ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।

নিউজিল্যান্ডের এই ভরাডুবির নেপথ্যে মূল কারিগর ছিলেন ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত

বুমরাহ। তিনি মাত্র ১৫ রান খরচ করে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে এমন বিধ্বংসী জয়

তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতোয়ারা পুরো ভারত। প্রথম দল হিসেবে তিনবার

শিরোপা জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন এক মানদণ্ড স্থাপন করল ভারত, যেখানে

আগেভাগেই চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিবেচিত হওয়া অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো

দলগুলোকে এখন তাদের পেছনে থেকেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ঐতিহাসিক জয়

ক্রিকেট বিশ্বে ভারতের শক্তিকে নতুন করে জানান দিল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos