ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। সেই সময় তাঁকে দেশটির সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মাননা ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’ প্রদান করা হয়। বুধবার অনুষ্ঠিত এক মান্য অনুষ্ঠানে নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা এই মূল্যবান পদকটি নরেন্দ্র মোদিকে তুলে দেন। এই সম্মাননা দিতে তার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ভারতের
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। সেই সময় তাঁকে দেশটির সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মাননা ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’ প্রদান করা হয়। বুধবার অনুষ্ঠিত এক মান্য অনুষ্ঠানে নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা এই মূল্যবান পদকটি নরেন্দ্র মোদিকে তুলে দেন। এই সম্মাননা দিতে তার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ভারতের দৃঢ় সম্পর্ক ও অবদানের জন্য এই বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মোদি বিশ্বের প্রথম নেতা হিসেবে এই বিরল সম্মাননা অর্জন করেন।
এই পদকপ্রাপ্তি মোদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এক অপরিসীম মর্যাদার আসনে ঠাঁই করে দিয়েছে। তিনি বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিরল নেতা, যিনি দুই দেশ—ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন—উভয় থেকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। এর আগে, ২০১৮ সালে তিনি ফিলিস্তিনের সবচেয়ে উচ্চতর সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অব প্যালেস্টাইন’ পান। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ঝগড়ার মাঝেও উভয় পক্ষ থেকে এই সম্মাননা পেয়ে, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন।
দীর্ঘ নয় বছর পর এই ছিল মোদির প্রথম ইসরায়েল সফর। এর আগে, ২০১৭ সালে জুনে তাঁর ঐতিহাসিক প্রথম সফরে ভারত ও ইসরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপান্তরিত হয়। এবারের সফর দিয়ে সেই সম্পর্ককে আরও উন্নত ও দৃঢ় করার জন্য প্রমাণ দেয়া হয়েছে। নেসেটে ভাষণে মোদি দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের দিকগুলোতে গুরুত্বারোপ করেন। ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করে এই পদক প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের সুমহান সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে, এই সফরটি ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।











