রাজধানীর গুলশানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দেন। ওই দিন, ১০ ফেব্রুয়ারি, গুলশানের এক স্থানীয় রেস্তোরাঁয় এই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে তারা ছাত্রদলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি দৃঢ় বলে প্রকাশ করে, দলটির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নতুন
রাজধানীর গুলশানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দেন। ওই দিন, ১০ ফেব্রুয়ারি, গুলশানের এক স্থানীয় রেস্তোরাঁয় এই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে তারা ছাত্রদলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি দৃঢ় বলে প্রকাশ করে, দলটির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নতুন সদস্য হিসেবে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, যারা নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
নেতাকর্মীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতৃত্বের মধ্যে ছিলেন গুলশান থানা জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জিয়াদ এবং সদস্যসচিব সজীব সরদার নিহাল। পাশাপাশি, দলের মুখ্য সংগঠক মেহেদী হাসান আরাফাত, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাব্বির আহমেদ, সহ-মুখপাত্র সায়েম দেওয়ান ও যুগ্ম সদস্যসচিব মো. জহিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় অর্ধশত নেতা-কর্মী এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এই গণ-যোগদান সম্পন্ন হওয়ার পর গুলশান এলাকার ছাত্রদলের সাংগঠনিক শক্তি এবং জনসমর্থন আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে aluno ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নবাগত নেতাকর্মীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রক্ষা এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ের জন্য তরুণ প্রজন্মের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবাগত নেতাকর্মীরাও তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ছাত্রদলের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য এবং বর্তমান নেতৃত্বের দৃঢ়তার মাধ্যমে তারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং ছাত্রসমাজের দাবি আদায়েও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পতাকাতলে থাকতে একাত্ম থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই সময়ের রাজনীতিতে অব্যাহত মেরুকরণের কারণে স্থানীয় ছাত্র রাজনীতি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিশেষ গুরুত্ব দেয় নেতৃবৃন্দ।











