বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও নতুন সরকার গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে, ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সফরটি আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতি
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও নতুন সরকার গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে, ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সফরটি আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতি নির্ধারণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা।
সম্প্রতি, গত রোববার ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এই বৈঠকগুলোতে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে পল কাপুরের সম্ভাব্য সফরের বিষয়টি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি সম্ভবত ৬ থেকে ৯ মার্চের মধ্যে ঢাকা সফর করবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হিসেবে এই সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পল কাপুরকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেন, যা অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। এই ঢাকার সফর মূলত বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও ভবিষ্যতের অংশীদারিত্বে আলোকপাত করবে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের পর এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার দ্রুত সফর বাংলাদেশে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরে। আশা করা হচ্ছে, পল কাপুরের এই সফর ঢাকাওয়াশিংটন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত কিংবা নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।











