কলম্বোর মাঠে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হলো আয়ারল্যান্ডকে। এক পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি আইরিশদের হাতে থাকলেও লঙ্কান স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর নাটকীয় ব্যাটিং বিপর্যয়ে ২০ রানের জয় তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। ১৬৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ারল্যান্ড এক সময় জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল, কিন্তু শেষ দিকে
কলম্বোর মাঠে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ
পর্যন্ত হার মানতে হলো আয়ারল্যান্ডকে। এক পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি
আইরিশদের হাতে থাকলেও লঙ্কান স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর নাটকীয় ব্যাটিং
বিপর্যয়ে ২০ রানের জয় তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। ১৬৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে
আয়ারল্যান্ড এক সময় জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল, কিন্তু শেষ দিকে লঙ্কান বোলারদের
দাপটে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের ইনিংস।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়ারল্যান্ড। লঙ্কান ব্যাটারদের
ওপর শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করেন ডকরেল ও ম্যাকার্থিরা। পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেট
হারানোর পর পরবর্তী ১০ ওভারে রান তুলতে রীতিমতো হিমশিম খেয়েছে শ্রীলঙ্কা। আইরিশ
বোলারদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে লঙ্কান ব্যাটার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস
বাউন্ডারি খুঁজে পেতে বেশ বেগ পাচ্ছিলেন। তবে ওপেনার কুশল মেন্ডিস একপ্রান্ত ধরে
রেখে ৪৩ বলে ৫৬ রানের একটি ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন। ইনিংসের শেষ চার ওভারে পাল্টে যায়
দৃশ্যপট, যেখানে কামিন্দু মেন্ডিসের ১৯ বলে ৪৪ রানের বিধ্বংসী কেমিও ইনিংসে ভর করে
শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায়। শেষ চার
ওভারে ৫৯ রান তুলে লঙ্কানরা ম্যাচে শক্ত অবস্থান ফিরে পায়।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের শুরুটা ছিল দারুণ ইতিবাচক। ওপেনার অ্যাডায়ার
২৩ বলে ৩৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন। এরপর হ্যারি টেক্টর ও
লরকান টাকার মিলে ১৫তম ওভার পর্যন্ত দলকে জয়ের পথেই রেখেছিলেন। ম্যাচের সমীকরণ যখন
৩০ বলে ৫১ রান এবং হাতে সাতটি উইকেট, তখন আয়ারল্যান্ডের জয় কেবল সময়ের ব্যাপার বলে
মনে হচ্ছিল। কিন্তু ১৬তম ওভার থেকে লঙ্কান স্পিন আক্রমণের সামনে দিকবিদিক হারিয়ে
ফেলে আইরিশ ব্যাটাররা।
ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মহেশ থিকসেনার করা দুই ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে
ছিটকে যায় আয়ারল্যান্ড। থিকসেনা ও হাসারাঙ্গা তাদের ঘূর্ণিতে হ্যারি টেক্টর (৪০) ও
টাকারকে (২১) দ্রুত বিদায় করে আইরিশদের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামান। এরপর গতির ঝড়
তুলে লেজের দিকের ব্যাটারদের সাজঘরে ফেরান মাথিশা পাথিরানা। মাত্র ৩৮ রানের
ব্যবধানে শেষ ৮টি উইকেট হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায়।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে মহেশ থিকসেনা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও পাথিরানা প্রত্যেকে তিনটি
করে উইকেট শিকার করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শুরুতে দাপট দেখালেও চাপের মুখে
অভিজ্ঞতার অভাবে আয়ারল্যান্ডকে শেষ পর্যন্ত হারের গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।











