এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো মিনিটের জন্য বিল গেটস ক্ষমা চেয়ে যান

এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো মিনিটের জন্য বিল গেটস ক্ষমা চেয়ে যান

বিশ্বের এক অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও প্রযুক্তিবিদ বিল গেটস এপস্টেইনের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সময় কাটানো এই জীবনের বড় ভুল ছিল। সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ একাধিক চাঞ্চল্যকর নথি প্রকাশ করেছে, যেখানে এপস্টেইন কেলেঙ্কারির নতুন অনেক তথ্য উঠে এসেছে। এই নথিতে বিল গেটসের নামও

বিশ্বের এক অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও প্রযুক্তিবিদ বিল গেটস এপস্টেইনের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সময় কাটানো এই জীবনের বড় ভুল ছিল। সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ একাধিক চাঞ্চল্যকর নথি প্রকাশ করেছে, যেখানে এপস্টেইন কেলেঙ্কারির নতুন অনেক তথ্য উঠে এসেছে। এই নথিতে বিল গেটসের নামও উল্লেখ থাকায় বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। খবর পেয়ে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য তিনি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দুঃখপ্রকাশের সাথে সাথে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি জানান, এই সম্পর্কের কারণে তিনি নিজেকে লজ্জিত এবং অনুতপ্ত।

সম্প্রতি প্রকাশিত নথিপত্রে একটি খসড়া ইমেইল বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। সেই ইমেইলে জেফরি এপস্টেইন দাবি করেছেন, বিল গেটস একজন রুশ নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক যুক্ত ছিলেন। এমনকি, এপস্টেইন গেটসের অসুস্থতার জন্য বিশেষ ওষুধ সরবরাহ করেছিলেন বলেও ওই ইমেইলে উল্লেখ করা হয়। আরো বলা হয় যে, গেটসের অন্য বিবাহিত নারীর সঙ্গেও সম্পর্ক রাখতে সহযোগিতা করেছেন এপস্টেইন। এইসব তথ্য নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলেও, বিল গেটস স্পষ্টতই এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার ৯নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওই খসড়া ইমেইল কখনোও পাঠান হয়নি এবং এর সব তথ্যই মিথ্যা। তিনি বিস্মিত হয়ে বলেন, কেন এপস্টেইন এমন কিছু লিখলেন বা তার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা বুঝতে পারছেন না।

বিল গেটস জানান, তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ করেন ২০১১ সালে। এরপর ওই বছরগুলোতে, তিনি কয়েকবার দাপ্তরিক বা সৌজন্যমূলক নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এপস্টেইনের মালিকানাধীন ক্যারিবিয়ান দ্বীপে তিনি কখনো যাননি এবং কোনো নারীর সঙ্গে অপ্রাকৃত সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একটি মুখপাত্রও এই ব্যাপারে पुष्टि করেছেন যে, গেটসের چنین কোনো অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার কোনো সত্যতা নেই।

মূলত, বিচার বিভাগীয় নথিতে নিজের নাম আসায় নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে, বিল গেটস এই জনসম্মুখে ক্ষমা চেয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় সত্য হলেও, আমি নিজেকে লজ্জিত মনে করি এবং এ সমস্ত ঘটনার জন্য অনুতপ্ত। তিনি আশ্বাস দেন, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য নয় এবং এর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos