পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি ও রোগীদের হয়রানির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই অভিযান রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিচালিত হয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাছে নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ লিখে
পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি ও রোগীদের হয়রানির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই অভিযান রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিচালিত হয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাছে নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ লিখে দিতে চাপ সৃষ্টি করতেন। পাশাপাশি তারা রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে ‘মিডলম্যান’ বা দালালের দায়িত্বে আছেন, যাঁরা সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিলেন।
এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদের বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইন, ১৮৬০ এর ২৯১ ধারায় মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা বলেন, “অভিযুক্তদের পারিবারিক ও আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জরিমানার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়ার শপথসহ দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মুচলেকা দিয়েছেন। জনস্বার্থে এবং হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ভবিষ্যতে একই অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে জনহয়রানি বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযান চলাকালে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাহমিনা সুলতানা নিলা এবং বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র সরকার উপস্থিত ছিলেন।











