জামায়াতে ইসলামীর এমন উদ্যোগের বিরুদ্ধে মুখে কড়া সমালোচনা করে ইসলামের আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগ করেছেন, তারা গোপনে ভারতের ও আমেরিকার সঙ্গে বৈঠক করে দেশের ইনসাফ ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করার নামে ষড়যন্ত্র করে চলছে। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, এই ইনসাফের অজুহাতে বাংলার সাধারণ মানুষকে শোষণ, অত্যাচার ও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর এমন উদ্যোগের বিরুদ্ধে মুখে কড়া সমালোচনা করে ইসলামের আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগ করেছেন, তারা গোপনে ভারতের ও আমেরিকার সঙ্গে বৈঠক করে দেশের ইনসাফ ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করার নামে ষড়যন্ত্র করে চলছে। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, এই ইনসাফের অজুহাতে বাংলার সাধারণ মানুষকে শোষণ, অত্যাচার ও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ধরনের নীতি ও আচরণের জন্য দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘যে ইনসাফ বা নীতিতে হাজারো মা-বাবার বুক খালি হয়, একই নীতিতে দেশের টাকা বিদেশে পাচার হয়ে বেগমপাড়া তৈরি হচ্ছে। রাস্তায় মানুষ গুলি, গুম ও খুনের শিকার হচ্ছে, অথচ এভাবে দেশ চালানো সম্ভব নয়। তারা এদেশের মূল নীতির পরিবর্তন আনার পরিবর্তে এই ধরণের দুর্নীতি ও অন্যায় চালানোর চেষ্টা করছে।’
সৈয়দ রেজাউল করিম প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে ৫৪ বছর ধরে দেশ পরিচালনা করে কি আদৌ ইনসাফের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হয়েছে? আবার এই নিয়মের মধ্যে নতুন করে ইনসাফের ভিত্তিতে একটি দেশ চালানো কিভাবে সম্ভব?’ তিনি স্পষ্টভাবে বললেন, ‘জামায়াত কখনোই শরিয়াহ আইনে দেশ চালাবে না। তারা চালাবে প্রচলিত নিয়মেই। তাদের প্রার্থী কৃষ্ণনন্দী বলেছেন, জামায়াত কোনো ইসলামি দল নয়। তাহলে তারা ক্ষমতায় গেলে কোন নীতিতে দেশ চালাবে?’
এ সময় তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের হাতপাখার প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিমসহ বিভিন্ন প্রার্থী ও নেতৃবৃন্দের হাতে প্রতীক তুলে দেন।
খালেদ সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রেজাউল করিম আবরার, ইসলামি চিন্তাবিদ হাবিবুর রহমান মেজবাহ, জেলা কমিটির সেক্রেটারি জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।











