চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মোকাবেলা, ভৌত ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে উদ্যোগ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে ২,৮০০ টন বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছে এবং বন্দরের ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়েছে। খবর কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম থেকে জানা গেছে, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মোকাবেলা, ভৌত ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে উদ্যোগ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে ২,৮০০ টন বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছে এবং বন্দরের ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনাও উন্নত হয়েছে। খবর কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম থেকে জানা গেছে, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে।
কাস্টমস হাউসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার পর পণ্যচালানটি নিলামের জন্য প্রস্তুত করা হয় এবং তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সেই প্রতিযোগিতামূলক নিলামে ১৩ জন বিডার অংশগ্রহণ করেন। সর্বোচ্চ বিডের মূল্য ছিল ৯ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই মূল্য অনুযায়ী বিডার পণ্যচালানটি কিনে নেন। পরবর্তীতে ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ১১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে পণ্যচালানটির খালাস নিশ্চিত হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টমস জানিয়েছে, এই চালানটি পরিমাণ ও প্রকারভেদে চট্টগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহৎ নিলামে সম্পন্ন পণ্যচালান বলে পরিচিত। এটি বন্দরের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।











