নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার হুমকি

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার হুমকি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ তাদের সাত দফা দাবি পূরণের জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ন আলটিমেটাম দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে নবম পে-স্কেলসহ তাদের বিভিন্ন দাবি মানা না হয়, তবে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শহীদ মিনার থেকে যমুনানদী অভিমুখে ভুখা মিছিলের মাধ্যমে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তারা। এর আগে, ১

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ তাদের সাত দফা দাবি পূরণের জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ন আলটিমেটাম দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে নবম পে-স্কেলসহ তাদের বিভিন্ন দাবি মানা না হয়, তবে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শহীদ মিনার থেকে যমুনানদী অভিমুখে ভুখা মিছিলের মাধ্যমে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তারা। এর আগে, ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিন তাদের নিজ নিজ দপ্তরের সামনে দুই ঘণ্টার অবস্থান ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবেন সরকারি কর্মচারীরা। ঢাকায় শুক্রবার সকালের এক প্রতিবাদী সমাবেশে এসব কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেছেন, ‘গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও সরকারি কর্মচারীদের দাবি নাকচ করা হচ্ছে। ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পরে আশা করা হয়েছিল, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু তা হয়নি। তাই, দাবি মানা না হলে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ দপ্তরের সামনে কার্যক্রম চালানো হবে। নিশ্চয়ই দাবি গ্রহণের জন্য যদি কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হয়, তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে শহীদ মিনার থেকে যমুনার দিকে মানববন্ধন বা ভুখা মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারি ককর্মচারীরা তাদের ৭ দফা দাবি পেশ করেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সর্বনিম্ন পে-স্কেল ৩৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দ্রুত নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ২০১৫ সালে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত তিনটি টাইম ফেল, সিলেকশন গ্রেডের পুনর্বহাল, বেতনের জ্যেষ্ঠতা পুনর্বহাল, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্র্যাচুইটি ও পেনশন চালু, গ্র্যাচুইটির হার ৯০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করা, ও পেনশন গ্র্যাচুইটির হার ১ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নির্ধারণের দাবি তুলেছেন তারা।

এছাড়াও, ব্লক পোস্টে কর্মরত সকল কর্মচারীর পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেডের সুযোগ চাওয়া হয়েছে। টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা নিশ্চিত ও সমান সুযোগের দাবি উঠে এসেছে। আর যারা চাকরিতে রয়েছেন, তাদের বার্ষিক বা অবিরাম বেতন বৃদ্ধির জন্য পদোন্নতির ব্যবস্থা করারও জোর দাবি জানানো হয়।

উন্নয়ন প্রকল্প থেকে স্বায়ত্তশাসিত বা রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদের জন্য টাইম ফেল ও সিলেকশন গ্রেডের প্রস্তাব মানা সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তারা। এছাড়া, বর্তমান বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাত্রা ব্যয় বিবেচনা করে ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ, সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর মতো রেশনিং পদ্ধতি চালু করা, এবং সরকারি সব দপ্তরে একরকম নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারীদের বৈষম্য দূর করতে তাদের দাবি জানানো হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos