ট্রাম্পের কারণে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের আমেরিকা ত্যাগের পরিকল্পনা

ট্রাম্পের কারণে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের আমেরিকা ত্যাগের পরিকল্পনা

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কাজের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অস্কার মনোনীত মার্কিন অভিনেত্রী ও নির্মাতা ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অফ লন্ডন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমেরিকায় স্বাধীনভাবে সৃজনশীল কাজ চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কাজের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় নিজ দেশ

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অস্কার মনোনীত মার্কিন

অভিনেত্রী ও নির্মাতা ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ব্রিটিশ

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অফ লন্ডন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে,

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমেরিকায় স্বাধীনভাবে সৃজনশীল কাজ চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে

অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। নিজের অবস্থান ব্যক্ত করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সেখানে

স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। তবে আমি হাল ছেড়ে দিতে চাই না। আমি ইউরোপে সিনেমা

বানাতে চাই এবং সেগুলো আমেরিকানদের দেখাতে চাই।’

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের মতে, ট্রাম্পের শাসনামলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতা

ভিন্ন রূপ নিচ্ছে যা চলচ্চিত্রের মতো সৃজনশীল মাধ্যমের জন্য উদ্বেগজনক। বিশেষ করে

বিদেশের মাটিতে নির্মিত সিনেমার ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত শুল্ক বা ট্যারিফ

আরোপের বিষয়টি তাঁকে আতঙ্কিত করে তুলেছে; তাঁর মতে এটি সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের

জন্য একটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি করবে। এই প্রতিকূল পরিবেশের কারণেই তিনি তাঁর

পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘দ্য ক্রনোলজি অব ওয়াটার’-এর চিত্রধারণের জন্য

লাটভিয়াকে বেছে নিয়েছেন এবং তাঁর দাবি অনুযায়ী, বর্তমান অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে এই

সিনেমার কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব ছিল।

উল্লেখ্য যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের বিরোধ এক দশকেরও বেশি

সময় ধরে চলে আসছে, যার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১২ সালে রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে তাঁর

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের এক মন্তব্যের জেরে। ক্রিস্টেন যদি শেষ পর্যন্ত

আমেরিকা ত্যাগ করেন, তবে তিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিবাদে দেশ ছাড়ার

ঘোষণা দেওয়া এলেন ডিজেনারেস, রোজি ও’ডোনেল কিংবা জেমস ক্যামেরনের মতো তারকাদের

তালিকায় নতুন নাম হিসেবে যুক্ত হবেন। মূলত শিল্পচর্চার পথে রাজনৈতিক বাধার কথা

উল্লেখ করেই তিনি ইউরোপে থিতু হওয়ার এই দৃঢ় ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos