বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের চিঠি

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের চিঠি

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫ দেশের ওপর প্রাথমিকভাবে আরোপিত অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দ্রুত বাতিলের দাবি জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী অ্যালান ক্রিস্টানকে একটি চিঠি দিয়েছেন ৭৫ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান। গত ২৯ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার) পাঠানো এই চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্বজুড়ে অনেক অভিবাসীর জীবন ও কর্মক্ষেত্রের উপর যে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে, সেটি স্পষ্টভাবে

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫ দেশের ওপর প্রাথমিকভাবে আরোপিত অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দ্রুত বাতিলের দাবি জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী অ্যালান ক্রিস্টানকে একটি চিঠি দিয়েছেন ৭৫ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান। গত ২৯ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার) পাঠানো এই চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্বজুড়ে অনেক অভিবাসীর জীবন ও কর্মক্ষেত্রের উপর যে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে, সেটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

অন্তর্ভুক্ত এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান ককাসের চেয়ার কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেংসহ এই ৭৫ জন আইনপ্রণেতা স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের ভিসা পুনরায় চালুর জন্য জরুরীভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই অপ্রত্যাশিত এবং অপ্রয়োজনীয় স্থগিতাদেশের কারণে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি এশিয়ান-আমেরিকান এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার সুযোগ হারিয়েছেন। পাশাপাশি, বিশ্বের ৪০ শতাংশ মানুষ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে, যা এক বিস্তীর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনকে প্রভাবিত করছে। যারা পারিবারিক, ব্যবসায়িক, বিনিয়োগ বা কর্মসংস্থান এর জন্য আইনি পথে আমেরিকা আসার অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের জন্য নানাবিধ নিয়ম ও নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এই অজ্ঞাত সিদ্ধান্তের ফলে তাদের আগাম প্রবেশের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

কংগ্রেসম্যানরা ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ‘নির্দয় ও অযৌক্তিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অভিবাসীরা সব ধরনের আইনি নিয়ম মেনে ভিসার জন্য আবেদন করেন, তারপরও তাদেরকে এইভাবে বাধার সম্মুখীন করা কতটা ন্যায়ের বা মানবিকতা পরিপন্থি। উল্লেখ্য, ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, রাশিয়া, ব্রাজিলসহ মোট ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা আসে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, মূলত যেসব দেশের নাগরিকরা তুলনামূলকভাবে বেশি পরিমাণে মার্কিন জনগণের কল্যাণভাতা গ্রহণ করছে তাদের ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। যতক্ষণ না বোঝা যাবে যে নতুন অভিবাসীরা মার্কিন অর্থনীতির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করবে না, ততক্ষণ এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

প্রধানত ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ভিসার আবেদন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। যেখানে অ্যাপ্লিকেন্টদের জীবনযাত্রা স্বচ্ছন্দে চালানো যাবে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হয়। ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন নীতিকে আরও কঠোর করে তোলার অংশ হিসেবে গত বছরের নভেম্বর থেকে এই পর্যায়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার ফলশ্রুতিতে গত সপ্তাহে ব্যাপক আকারে এই ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের প্রবাহ ও দেশের জনসংখ্যার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos