দীর্ঘ ১৯ বছরের বিরতি পরে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বগুড়ায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই আওয়াজে পুরো জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তার এক নজর দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন, এবং তার জনসভায় অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সন্দেহ নেই, লাখের বেশি মানুষ তার এই জনসভায় অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন নেতারা। বিএনপি
দীর্ঘ ১৯ বছরের বিরতি পরে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বগুড়ায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই আওয়াজে পুরো জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তার এক নজর দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন, এবং তার জনসভায় অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সন্দেহ নেই, লাখের বেশি মানুষ তার এই জনসভায় অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন নেতারা।
বিএনপি সূত্রের খবর, তিনি শনিবার রাজশাহীতে বিমানযোগে পৌঁছাবেন। সেখানে এক বিশাল জনসমাবেশের পর তিনি নওগাঁয়ে যাবেন। এরপর আদমদিঘী ও কাহালু হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন। জেলা শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন এবং রাত্রিযাপন করবেন। পরের দিন শুক্রবার তিনি বগুড়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরবেন, ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন এবং ১০টি ইউনিয়নে প্রচার চালাবেন। এছাড়া তিনি সাবগ্রাম ইউনিয়নের গাবতলী এলাকার পিতৃভূমিতে যাবেন, যেখানে তিনি ১২ ইউনিয়নের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলবেন। এরপর তিনি শাজাহানপুর হয়ে তার পরবর্তী গন্তব্যে রওনা হবেন।
জনসভাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির জন্য আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিদর্শন করেছেন। মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি ও বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। জেলা বিএনপির নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই সফর দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরার সুযোগ হতে যাচ্ছে।
এদিকে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা বলেছেন, “গত ১৭ বছরে যে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। আমরা চাই সব থেকে বেশি ভোট পেয়ে তারেক রহমানকে নির্বাচিত করুক এবং সারাদেশের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ ভোটের মাধ্যমে তাকে পুরস্কৃত করা হোক।” তিনি আরও যোগ করেন, “তারেক রহমানের এই সমাবেশ সফল করতে আমরা নানা রকম প্রস্তুতি নিয়েছি। বগুড়ার সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে আশা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, এটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে। এই সফর আমাদের জন্য নতুন শক্তির উৎস। এর মাধ্যমে শুধু বিএনপি নয়, অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা সহায়তা করছে বলে ধারণা করেন।”
এদিকে, এর আগে ১১ জানুয়ারি তিনি বগুড়ায় যাওয়ার 계획 ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু ওই সফর বাতিল করা হয়। উল্লেখ্য, ঢাকা ১৭ আসনের পাশাপাশি তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন।











