ইন্দো-চীন বন্ধুত্বের বার্তা: ভারত ও চীন ‘ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদার’

ইন্দো-চীন বন্ধুত্বের বার্তা: ভারত ও চীন ‘ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদার’

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত ২৬ জানুয়ারি, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানায়। শি জিনপিং তাঁর এই শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এ সম্পর্ককে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত ও চীন একে

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত ২৬ জানুয়ারি, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ খবর জানায়। শি জিনপিং তাঁর এই শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এ সম্পর্ককে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত ও চীন একে অন্যের ‘ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার’, যা এই দুই বৃহৎ পরাশক্তির মধ্যকার সম্পর্কের অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। এশীয় অঞ্চলের এই উষ্ণ সম্পর্ক বিশ্ব রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

চীনার প্রেসিডেন্ট তাঁর বার্তায় আরও উল্লেখ করেন, গত এক বছরে বেইজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যকার সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে আরও ঘনিষ্ঠ ও বিকশিত হয়েছে। এই উন্নয়ন শুধু এই দুই দেশকে নয়, গোটা বিশ্বের শান্তি এবং সামগ্রিক উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, চীন বিশ্বাস করে, একটি ভালো প্রতিবেশী ও বিশ্বস্ত বন্ধুরূপে পারস্পরিক চলাচল দুই দেশের জন্য সর্বোত্তম পথ। তিনি এই সম্পর্কের রূপক হিসেবেও ‘ড্রাগন ও হাতির নাচ’ উল্লেখ করেন এবং আশা করেন, সংলাপ ও সহযোগিতা উন্নত করে উভয় দেশ নিজেদের উদ্বেগ দূর করে একটি স্থিতিশীল ও সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

উল্লেখ্য, এই পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা ১৯৫০ এর দশক থেকেই অমীমাংসিত এবং বিতর্কিত। ২০২০ সালে সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় এবং ৪ জন চীনা সেনা নিহতের ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কের বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়। হিমালয় অঞ্চল পরবর্তীতে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি দেখায়। তবে, গত বছরের পরে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা ও দ্বিপাক্ষিক সফরের কারণে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। এ ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে দুই দেশ সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক পররাষ্ট্রনীতির প্রতিক্রিয়ায়, ভারত ও চীন পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos