উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু স্যার মার্ক টালির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি আবেগাপ্লুত স্ট্যাটাসে তিনি এই শোক জানিয়ে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, মার্ক টালির মৃত্যুতে আমি গভীর দুঃখ ও
উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু স্যার মার্ক টালির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি আবেগাপ্লুত স্ট্যাটাসে তিনি এই শোক জানিয়ে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, মার্ক টালির মৃত্যুতে আমি গভীর দুঃখ ও মর্মাহত। তিনি বাংলাদেশের একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসির প্রতিনিধি হিসেবে তার অসামান্য অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চীরস্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংগ্রাম, ত্যাগ ও স্বপ্রতিভার গল্প বিশ্ববাসীর কাছে সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরছিলেন তিনি। তার সংবাদকাজে জীবনভর সততা, মানবিকতা এবং সত্যের প্রতি অটল শ্রদ্ধা ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই মূল্যবোধগুলো তাকে সাংবাদিকতার জগতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে চিহ্নিত করে রাখবে।
তারেক রহমান আরো বলেন, একটি জাতিরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় ও নানা সংকটময় মুহূর্তে মার্ক টালির অসাম্প্রদায়িকতা, সাহসিকতা ও সংহতির ভূমিকা এ দেশের জনগণের মনে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবে। বাংলাদেশের জন্য তাঁর এই ঐতিহাসিক ও নিঃস্বার্থ অবদানের জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, বন্ধু ও বিবিসির সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, এই বরেণ্য সাংবাদিক রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে দিল্লির সাকেত ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং শেষ এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে নিবিঁড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সংবাদদাতা হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনকারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর এই অবদান দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।











