সরবরাহ জটিলতা থাকলে রমজানে পণ্যমূল্য কমার সম্ভাবনা: বাণিজ্য উপদেষ্টা

সরবরাহ জটিলতা থাকলে রমজানে পণ্যমূল্য কমার সম্ভাবনা: বাণিজ্য উপদেষ্টা

বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশিরউদ্দিন জানিয়েছেন, যদি সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও জটিলতা না থাকে তাহলে আসন্ন রমজানে পণ্যের দাম আরও কমতে পারে। তিনি বলেন, এবারের রমজানে বাজারের পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় আরও স্থিতিশীল থাকবে। এই ধারণা তিনি ক্রমাগত উৎপাদন, আমদানি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেটা বিশ্লেষণ করে তৈরি করেছেন। রোববার বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য

বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশিরউদ্দিন জানিয়েছেন, যদি সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও জটিলতা না থাকে তাহলে আসন্ন রমজানে পণ্যের দাম আরও কমতে পারে। তিনি বলেন, এবারের রমজানে বাজারের পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় আরও স্থিতিশীল থাকবে। এই ধারণা তিনি ক্রমাগত উৎপাদন, আমদানি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেটা বিশ্লেষণ করে তৈরি করেছেন। রোববার বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি টাস্কফোর্সের সভা শেষে এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিবার রোজার আগে নানা অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়, এ বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের গ্যাসের সংকট নেই, ডলার সংকট নেই। বিনিময় হারও স্থিতিশীল। বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় উদ্যোগে ভোজ্যতেলকে বৈচিত্র্যময় করে তোলা হয়েছে। এর আওতায় বাজারে প্রায় ৫ লক্ষ টন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রাইস ব্র্যান তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বাজারে তেলের পাইকারি দাম কমে গেছে। তিনি আশাবাদী, যত বেশি প্রতিযোগিতা বাড়বে, ততই বাজারের মূল্য স্বাভাবিক থাকবে; কারণ এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

টাস্কফোর্স ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তারা আমাদের কোনও বিশেষ চ্যালেঞ্জ জানাননি। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও বলছেন, বাজার মূল্য বর্তমানে স্থিতিশীল। সরবরাহের ক্ষেত্রে যদি কোনও জটিলতা না থাকে, তাহলে আশা করা যায় রমজানে পণ্য মূল্য আরও কমবে, ইনশাআল্লাহ।

পদ্মা সেতু নিয়ে এক প্রশ্নে উপদেষ্টার মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার সময় দেশের দেনা ছিল ২ লাখ কোটি টাকা। তবে এই বছর এটি বেড়ে হয়েছে ২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি, যার ফলে দেশের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অসময়োত্তর দায়বদ্ধতার কারণে টাকার মূল্যমান ৪৬ ভাগ কমে গেছে।

তিনি বলেন, বেশ কিছু অসমর্থ ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের ব্যয়ের কারণে দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: পদ্মা সেতুর প্রকল্পে ক্রেডিট প্রাক্কলন ছিল ১৪শ কোটি টাকা, কিন্তু বাস্তবে উঠে এসেছে মাত্র ২৬ কোটি টাকা। আশা করা হয়েছিল, পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের জিডিপি ২ শতাংশ কমে যাবে, কিন্তু উল্টা হচ্ছে পরিস্থিতি; জিডিপির হ্রাস হচ্ছে। এই সব প্রকল্প ও ব্যয়জনিত কারণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos