বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের সামনে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জরুরি চালকেরা নিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটি ঘোষণা করেছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে দেশের সব টেক্সটাইল কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া হয়, যেখানে সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল
বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের সামনে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জরুরি চালকেরা নিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটি ঘোষণা করেছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে দেশের সব টেক্সটাইল কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া হয়, যেখানে সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বক্তব্য দেন। তিনি জানান, এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তারা বাধ্য হয়েছেন, কারণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এতটাই কঠিন যে, পরিস্থিতি পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে শওকত আজিজ রাসেল বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, আগামী মাসের প্রথম দিন থেকেই সমস্ত ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকবে। তিনি আরও জানিয়ে বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের মতো সক্ষমতা তাদেরRemaining নেই। তাদের ব্যবসায়িক পুঁজি ইতিমধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। এমন অবস্থায় এমনকি সব সম্পত্তি বিক্রি করলেও ব্যাংকের ঋণ শোধ সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতির কারণে তারা ব্যবসা চালাতে পারছেন না এবং এটাই শেষ কথা, বলেই তারা মিল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শওকত আজিজ রাসেল স্পষ্ট করে দেন, এই সংকটের সমাধানের জন্য তারা বারবার সরকারি দপ্তরগুলোতে জরুরি ধরণা দেওয়াসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের জন্য চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তারা দেখেছেন, কোনো কার্যকর সমাধান আসছে না, বরং দপ্তরগুলো একে অন্যের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে। ফলে, পরিস্থিতি আরও ভয়াবह হয়ে উঠছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কোনো শিল্পবান্ধব নীতিমালা ও কার্যকর সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে পুরো টেক্সটাইল খাত ও দেশের রপ্তানি পরে বড় ধাক্কা খাবে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের জন্য ভয়াবহ হবে।সংবাদ সম্মেলনে অন্য সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নেতার বক্তব্যের সমর্থন জানান। এই সংকটের সময়ে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের অনুরোধ জানানো হয় যেন দেশের টেক্সটাইল ও রপ্তানি খাত রক্ষা পায় এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয়।











