যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষের নির্দেশ সেতু সচিবের

যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষের নির্দেশ সেতু সচিবের

সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ অতিক্রম করেছেন যমুনা সেতু ও উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সার্বিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনের উন্নীতকরণ বা সাসেক-২ প্রকল্পের অগ্রগতি। গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার তিনি এই প্রকল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি যমুনা সেতু এলাকা, সেতুর পশ্চিম গাইড

সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ অতিক্রম করেছেন যমুনা সেতু ও উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সার্বিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনের উন্নীতকরণ বা সাসেক-২ প্রকল্পের অগ্রগতি। গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার তিনি এই প্রকল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি যমুনা সেতু এলাকা, সেতুর পশ্চিম গাইড বাঁধে নদীশাসন কার্যক্রমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে কাছ থেকে দেখেন। তার এই পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালকের পাশাপাশি সাইট অফিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে সচিব মহোদয় সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে চলমান নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম, স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং সিস্টেমের অগ্রগতি দেখেন। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তিনি যানচলাচলে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভোগান্তি দূর করতে টোল প্লাজায় আধুনিক অটোমেটেড টোল কালেকশন সিস্টেম বা ইটিসি সক্রিয় ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

এরআগে তিনি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলায় চলমান সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এর নির্মাণ অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি শুধু একটি সড়ক নয়, বরং এটি পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। দেশের উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগ দীর্ঘমেয়াদি এবং নিরবচ্ছিন্ন করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জোর দেন, জনদুর্ভোগ কমিয়ে, যাতায়াত সহজ করে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে।

প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনের পরে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে শক্তিশালী নির্দেশনা দেন। যেন গুণগত মানের কোনও আপস না হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হয়। সেই সঙ্গে তিনি পরিবেশ ও নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন। নির্মাণস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী, সংকেত ব্যবস্থার পাশাপাশি ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে যানজট ও দুর্ঘটনা এড়াতে ডাইভারশন, রোড সাইন লাগানো, ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এসব নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত ও সফলভাবে কাজ বাস্তবায়ন করে সাধারণ মানুষের সুবিধা অর্জন করতে হবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos