অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইনের উপদেষ্টার আশঙ্কা: পুলিশ সংস্কারে দেরি, তবে অগ্রগতি হয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইনের উপদেষ্টার আশঙ্কা: পুলিশ সংস্কারে দেরি, তবে অগ্রগতি হয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল স্বীকার করেছেন যে, সরকারের যেসব উদ্যোগ পুলিশ বাহিনী সংস্কার করতে চেয়েছিল, সেখানে বিভিন্ন মূল্যবোধ ও পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাশিত ফলাফল সম্পন্ন হতে পারেনি। তবে তিনি দাবি করেন, পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে আশা অনুযায়ী সব কিছু হয়নি, এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি আরো বলেন, সরকার নানা ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ধরণের সংস্কার চালিয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল স্বীকার করেছেন যে, সরকারের যেসব উদ্যোগ পুলিশ বাহিনী সংস্কার করতে চেয়েছিল, সেখানে বিভিন্ন মূল্যবোধ ও পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাশিত ফলাফল সম্পন্ন হতে পারেনি। তবে তিনি দাবি করেন, পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে আশা অনুযায়ী সব কিছু হয়নি, এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি আরো বলেন, সরকার নানা ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ধরণের সংস্কার চালিয়েছে এবং সেই পরিমাণ অগ্রগতি হয়েছে, যা মোটেও অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, যদি জনগণের প্রত্যাশা ১০ ধরে নেয়া হয়, তবে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ, যা ৪-৫ এর মধ্যে, ইতিমধ্যেই হাসিল করা গেছে। বর্তমান সরকার সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে পরামর্শ ও মতামত নিয়ে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সংস্কার চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ এক অভিগম বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংগঠিতভাবে, আইন উপদেষ্টা বলেন, পুলিশ ও বিচার বিভাগের সংস্কারকার্য নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যে প্রচুর পরিমাণে আলোচনা হচ্ছে। তিনি পরিষ্কার করে দেন যে, কিছু মানুষের এই ধরনের নেতিবাচক কথাবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার পেয়ে জনমতকে প্রভাবিত করছে এবং জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে। তবে তিনি নিশ্চিত করেন, এখনো পর্যন্ত সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। নিজস্ব মূল্যায়নে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ১০ ধরি, তবে বর্তমান কার্যক্রমের মাধ্যমে তা ৪-৫ এর মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো জানান, সরকার পুলিশ ও বিচার বিভাগের সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে পরামর্শ-সংশ্লেষ চালিয়ে যাচ্ছে, যা তাদের মতে ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময়ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের পর্যায়ে ছিল।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়ের ওপর আলোচনায়, ড. আসিফ নজরুল বলেন, সরকার প্রয়োজনীয় আইনি ও বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। তবে দেশের সম্পূর্ণ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আরও ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে। তিনি আশাবাদী, ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকার যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে জনগণ সত্যিকার অর্থে এই সংস্কার থেকে সুফল পাবেন।

অবশেষে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর ভাষায় মন্তব্য করে তিনি বলেন, অতীতের মতো আর রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে পদায়ন চলবে না। এখন থেকে বিচারক হওয়ার জন্য যোগ্যতা ও মেধা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হবে। উচ্চ আদালতেও কিছু অভ্যন্তরীণ সংস্কার প্রয়োজন রয়েছে, যা উচ্চ আদালতের অভ্যন্তর থেকেই আসবে। এই সব সংস্কার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আদালতের ভেতর থেকে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos