গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেনের মনোভাব দুর্বল, অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে

গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেনের মনোভাব দুর্বল, অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি) বাজারের বিভিন্ন সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বাজারের এই ছোট পরিবর্তনগুলো বদলে দেয়নি সামগ্রিক পরিস্থিতিকে, তবে এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৯.৯০ শতাংশ কমে গেছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির প্রায় ৬৫ শতাংশের শেয়ারের দরপতন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি) বাজারের বিভিন্ন সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বাজারের এই ছোট পরিবর্তনগুলো বদলে দেয়নি সামগ্রিক পরিস্থিতিকে, তবে এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৯.৯০ শতাংশ কমে গেছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির প্রায় ৬৫ শতাংশের শেয়ারের দরপতন ঘটেছে, যা বাজারে নেতিবাচক মনোভাবের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। যদিও এই সময়ে বাজারের মোট মূলধন কিছুটা বৃদ্ধি পায়, যা কিছুটা আশার সঞ্চার করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৪ থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে লেনদেনের পরিমাণের তুলনায় গত সপ্তাহে মোট ৪৭২ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা কমেছে। এর পাশাপাশি, সপ্তাহ শেষে বাজারের মোট মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকায়। সারা সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৯০০ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যেখানে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল প্রায় ৩৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা। এটি আগের সপ্তাহের গড় লেনদেনের চেয়ে কম, যেখানে ছিল ৪৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৪১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছিল, এর মধ্যে মাত্র ৯৩টির দর বাড়ে, আর ২৬৮টির দর কমে গেছে। অপরিবর্তিত থাকেছে ২৫টি কোম্পানির দর। শুধু দরপতনের এই প্রবণতার কারণে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৯.৫৬ পয়েন্ট কমে ৪,৯৫৮.৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক ২.২২ পয়েন্ট কমে ১,৯১২.৭২ পয়েন্টে নেমে এসেছে, শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৪.৮৭ পয়েন্ট নিচে নেমে ৯৫২.৯৩ পয়েন্টে রয়েছে, এবং ডিএসএমইএক্স সূচক ৫.১৫ পয়েন্ট কমে ৯৫২.২২ পয়েন্টে আছে। এই ধারাবাহিক পতন ও লেনদেনের নিম্নগতি কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করলেও, বাজারের মূলধন ইতিবাচক থাকাও লক্ষ্য করা গেছে। বিনিয়োগকারীরা এই পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন থাকলেও, বাজারটি এখনও কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos