ম্যানচেস্টার সিটির ধারাবাহিক ড্রয়ের হার একটু কমল ব্রাইটনের বিপক্ষেও

ম্যানচেস্টার সিটির ধারাবাহিক ড্রয়ের হার একটু কমল ব্রাইটনের বিপক্ষেও

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বর্তমানে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে আলোচনায় থাকা ম্যানচেস্টার সিটি তেমন ফলাফলের জন্য উজ্জীবিত নয়। সান্ডারল্যান্ড ও চেলসির বিপক্ষে ড্র করার পর এবার ঘরের মাঠে ব্রাইটনের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করে পয়েন্ট হারিয়ে ফেলেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এই টানা তিন ম্যাচে অপ্রত্যাশিত ড্রয়ের মিছিলে এটি আরও যোগ হলো, যা তাঁদের চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে কিছুটা হলেও

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বর্তমানে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে আলোচনায় থাকা ম্যানচেস্টার সিটি তেমন ফলাফলের জন্য উজ্জীবিত নয়। সান্ডারল্যান্ড ও চেলসির বিপক্ষে ড্র করার পর এবার ঘরের মাঠে ব্রাইটনের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করে পয়েন্ট হারিয়ে ফেলেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এই টানা তিন ম্যাচে অপ্রত্যাশিত ড্রয়ের মিছিলে এটি আরও যোগ হলো, যা তাঁদের চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে কিছুটা হলেও দুর্বল করে দিয়েছে। প্রথমার্ধে আর্লিং হালান্ডের পেনাল্টি থেকে গোল করে সিটি দলের এগিয়ে দেওয়ার নজির ছিল, যা ছিল তার ১৫০তম গোলের এক অনন্য অর্জন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে ব্রাইটনের জাপানি উইঙ্গার কাউরো মিটোমা ৬০ মিনিটে নিখুঁত নিচু শটে গোল করে ম্যাচের ফলাফলে সমতা আনে। ফলে ম্যাচের বেশিরভাগ সময় জোড়ার লড়াই চলেছে বলে মনে হয়েছে।

আরম্ভ থেকেই ব্রাইটন নিজেদের আত্মবিশ্বাসের প্রমাণ দেয়, আধিপত্য বিস্তার করে সিটির রক্ষণভাগকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়। গোলরক্ষক দোন্নারুমা যদি পাসকাল গ্রস ও কাদিওগ্লুর কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ না ঠেকাতেন, তাহলে ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। প্রথমার্ধে সিটির আক্রমণ কিছুটা দুর্বল থাকলেও জেরেমি ডকু ডি-বক্সে ফাউলের কারণে পেনাল্টির নাটকীয় সুযোগ সৃষ্টি হয়। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি দেননি, যার কারণে কোচ গার্দিওলা ক্ষোভ প্রকাশ করে হলুদ কার্ড পায়। পরে ভিএআর রিভিউয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি ঘোষণা হয়। হালান্ড সফলভাবে গোল করেন। বিরতির আগে তিজানি রেইনডার্স গোল করার সুযোগ পেলেও ডিফেন্স তার প্রতিরোধ করে দলের রক্ষা করে।

দ্বিতীয়ার্ধে সিটি ম্যাচে আধিপত্য নিজেদের দিকে টেনে আনলেও বারবার মানের সুযোগ নষ্ট করে যায়। আর্লিং হালান্ড ও রায়ান চেরকির মতো তারকারা সহজ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারায় জয় থেকে দূরে থাকছে দল। নতুন বছর শুরুতেই গার্দিওলার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে, কারণ দলের গুরুত্বপূর্ণ তিন ডিফেন্ডার—যশকো গাভার্দিওল, রুবেন দিয়াজ ও জন স্টোনস—চোটের কারণে বাইরে। এই দুর্বলতার ফলে রক্ষণ ও আক্রমণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই ড্রয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে; তারা যদি পরবর্তী ম্যাচে লিভারপুলকে উড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়, তবে সিটি থেকে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে যেতে পারে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের জন্য শিরোপা ধরে রাখার পথটি এখন কঠিন একটা চ্যালেঞ্জ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos