কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে মাদ্রাসার কক্ষ উড়ে গেছে

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে মাদ্রাসার কক্ষ উড়ে গেছে

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে, যেখানে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানাচ্ছেন, বিস্ফোরণের ফলস্বরূপ মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে, যা স্পষ্ট করে

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে, যেখানে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানাচ্ছেন, বিস্ফোরণের ফলস্বরূপ মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে, যা স্পষ্ট করে দেয় যে এটি একটি প্রচ্ছন্ন আইএসআইএস বা জঙ্গি হামলার মতো ঘটনা।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানিয়েছেন, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অভিযান চালিয়েছে। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে ও তদন্তের জন্য ক্রাইম সিন দল ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের কাজ চলছে।জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন। তবে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ছিল ছুটির দিন, তাই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, এই ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই সন্তান, উমায়েত (১০) এবং আবদুল্লাহ (৭), আহত হন। তাদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।বিস্ফোরণের কারণে ভবনের এক পাশের তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। অপর পাশে, যেখানে পরিচালকের পরিবারের থাকত, সেখানে তিন বছর ধরে তারা বসবাস করে আসছিলেন। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, “বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে এবং ঘরের আসবাবপত্র ভেঙে পড়েছে।”অন্যদিকে, ভবনমালিক পারভীন বেগম জানিয়েছেন, তিন বছর ধরে তার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন পরিচালনা করতেন। হারুন তার শ্যালক আলামিন ও শ্যালিকার স্ত্রী আছিয়াকে দায়িত্ব দেন। তিনি মাঝেমধ্যে মাদ্রাসায় আসতেন, তবে এর পেছনে কী কার্যক্রম চলছিল, তা তিনি বুঝতে পারেননি। এই ঘটনার পর, পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও ব bombas তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, মাদ্রাসার পেছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে, এবং তদন্তে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos