বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নতুন সব রেকর্ড উপיוו মুড়িয়ে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নতুন সব রেকর্ড উপיוו মুড়িয়ে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এর আগে কখনোই দেশি বা বিশ্বব্যাপী এত উচ্চতায় পৌঁছায়নি স্বর্ণের মূল্য। এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪,৫০০ ডলার ছুঁয়েছে, যা প্রথমবারের মতো এই উচ্চতায় পৌঁছালো। একই সময়ে রুপা ও প্লাটিনামও নতুন রেকর্ড দামে উঠেছে। ১৬ ডিসেম্বর (বুধবার) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এর আগে কখনোই দেশি বা বিশ্বব্যাপী এত উচ্চতায় পৌঁছায়নি স্বর্ণের মূল্য। এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪,৫০০ ডলার ছুঁয়েছে, যা প্রথমবারের মতো এই উচ্চতায় পৌঁছালো। একই সময়ে রুপা ও প্লাটিনামও নতুন রেকর্ড দামে উঠেছে।

১৬ ডিসেম্বর (বুধবার) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বাণিজ্য ক্ষেত্রে সমস্যা, এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা। এ ছাড়াও, ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী ২০২৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুদহার আবার কমতে পারে—এমন প্রত্যাশার ফলস্বরূপ বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ হিসেবেই এই মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন।

স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে এখন প্রতি আউন্স ৪,৪৯৫.৩৯ ডলারে অবস্থান করছে। এর আগে বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪,৫২৫.১৯ ডলারে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারি ফিউচার মার্কেটের জন্য স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ বাড়িয়ে রেকর্ড ৪,৫২২.১০ ডলারে উঠেছে।

এদিকে, রুপার দাম ১.১৩ শতাংশ বেড়ে এখন প্রতি আউন্স ৭২.১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৭২.৭০ ডলার স্পর্শ করেছিল। প্লাটিনামের দাম ২.৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২,৩৩৩.৮০ ডলারের কাছে পৌঁছেছে, যদিও লেনদেনের সময় এটি ২,৩৭৭ ডলার ছুঁয়েছিল।

অন্য দিকে, প্যালাডিয়ামের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১,৯১৬.৬৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত তিন বছরে সবচেয়ে বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বছর স্বর্ণের দাম বছরে মোট ৭০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৯৭৯ এর পর থেকে সবচেয়ে বড় বছরব্যাপী উত্থান। এই উত্থানের পেছনে মূল কারণগুলো হলো নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুদ হার কমার প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যাপক স্বর্ণ ক্রয়, ডি-ডলারাইজেশন প্রবণতা এবং ইটিএফের মাধ্যমে বিনিয়োগের বৃদ্ধি।

বিশ্লেষকেরা আরো জানাচ্ছেন যে, আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা সুদহার কমানোর পরিকল্পনা করছে, যা আবারো স্বর্ণের মূল্যকে আরও উত্তম করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রুপার দাম এ বছর ১৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্বর্ণকেও হার মানিয়েছে। এর পেছনে শক্তিশালী বিনিয়োগ চাহিদা, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ তালিকায় রুপার অন্তর্ভুক্তি এবং বিভিন্ন পরিবেশে কেনাকাটার উৎসাহ কাজ করছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos