প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে তারেক রহমান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে তারেক রহমান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশের মাটিতে ফিরে আসা হয় তারেক রহমানের। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরপরই তিনি দেশের স্বস্তির খবরে অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি এই সৌজন্যমূলক ফোনালাপ সম্পন্ন করেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। বিএনপির

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশের মাটিতে ফিরে আসা হয় তারেক রহমানের। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরপরই তিনি দেশের স্বস্তির খবরে অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি এই সৌজন্যমূলক ফোনালাপ সম্পন্ন করেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, তারেক রহমান আন্তরিকতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাথে কথা বলছেন। ফোনে তিনি তার ও পরিবারের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানানো ছাড়াও, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সরকারের কঠোর নিরাপত্তা ও প্রটোকলের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি এই সরকারের সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মূল্যায়ন করেন।

অপরদিকে, দুপুর ১২টায় তারেক রহমান বহনকারী বিমান ঢাকায় অবতরণ করতেই বিমানবন্দরে তাকে ফুলেল স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবর্গ। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা, সহ-সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে, নেতৃবৃন্দের সাথে কুশল বিনিময় করে ১২টা ৩৬ মিনিটে তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। এর আগে, আবেগপূর্ণ এক মুহূর্তে নিজের জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করেন এবং হাতে তুলে নেন এক মুঠো মাটি—এটি ছিল তাঁর দেশপ্রেমের অবিস্মরণীয় এক প্রতীক। এই শ্রদ্ধা নিবেদন অগণিত নেতাকর্মীকে আবেগে ভাসিয়ে দেয়।

বর্তমানে তিনি একটি বিশেষ প্রস্তুত বুলেটপ্রুফ বাসে করে, পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর তিনি সরাসরি যাবেন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রায় দুই যুগ পরে পরিবারের বড় ছেলের এই প্রত্যাবর্তন ও সরকারের সাথে তার হাসিমুখের ঐ অভ্যর্থনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos