লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই আশঙ্কার কথা জানান। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনিফিল’-এ সৈন্য প্রেরণকারী দেশ এবং এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও

লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ও

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার

(১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর

জয়সওয়াল এই আশঙ্কার কথা জানান।

ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনিফিল’-এ সৈন্য

প্রেরণকারী দেশ এবং এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার অংশীদার হিসেবে

দিল্লি বর্তমান ঘটনাপ্রবাহকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিবৃতিতে রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্টভাবে বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং

রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে সম্মান করা অপরিহার্য বিষয়।”

ভারতের এই অবস্থানের পাশাপাশি লেবাননে অবস্থানরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ওপর

ক্রমাগত হামলার ঘটনায় ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের ৬০টিরও বেশি রাষ্ট্র তীব্র নিন্দা

জ্ঞাপন করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে

নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার বিশেষ দূত উমর হাদির নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এক

যৌথ বিবৃতিতে এই বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক এই সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফ্রান্স, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও

পোল্যান্ডের শান্তিরক্ষীরা হতাহত হয়েছেন, যা বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ

করে ৩ জন ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষীর মৃত্যু এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষের বাস্তুচ্যুত

হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

জাতিসংঘের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ ইসরায়েলি ট্যাঙ্কের গোলায় একজন এবং

৩০ মার্চ বিস্ফোরক ডিভাইসের আঘাতে আরও দুই জন শান্তিরক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন। যৌথ

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছে যে, শান্তিরক্ষীদের ওপর

এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতও তাদের

ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির

প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে

দেওয়া এক বার্তায় বলেন, “আমরা আমাদের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নতুনভাবে

বিশ্লেষণ করবো এবং নির্ধারণ করবো।” তিনি আরও জানান যে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে

আমিরাত তাদের আর্থিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকেও নতুন করে সাজাবে। গারগাশের মতে,

“জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোর যৌক্তিক পুনর্বিবেচনাই আমাদের ভবিষ্যতের পথ।” উদ্ভূত এই

পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি

মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন রাষ্ট্র।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos