বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার পাটজাত পণ্যের উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণও চালু করা হয়েছে, যাতে তারা বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে পারেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদে
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার পাটজাত পণ্যের উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণও চালু করা হয়েছে, যাতে তারা বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সব তথ্য জানান। তিনি আরো বলেন, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা ও কাঁচাপাটের মান উন্নয়নে ঢাকায় ও খুলনায় দুটি পাটপণ্য পরীক্ষাগার আধুনিকীকরণ এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে পাট ও বীজ উৎপাদন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প সফল হলে মানসম্পন্ন পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অতিরিক্তভাবে, সরকারের উদ্যোগে রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে যার মাধ্যমে পাটজাত পণ্য রপ্তানি আবারো উৎসাহ পাবে। চাপে পড়ে বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়, যেখানে প্রধানত চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, পাপুয়া নিউগিনি, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, ভারত, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, জাপান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, লিবিয়া, ডেনমার্ক, ব্রাজিল, হল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, হাঙ্গেরি, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আ فردীকা, চিলি, রোামানিয়া, কানাডা, পেরু, শ্রীলংকা, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, নেপাল, তিউনেশিয়া, আইভরি কোস্ট, থাইল্যান্ড প্রমুখ অত্যন্ত চাহিদা রয়েছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, রপ্তানির পরিমাণ বাড়াতে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) দেশের বাহিরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেলা, সভা, সেমিনার ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করছে। পাশাপাশি, উদ্যোক্তাদের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, এক্সপোর্ট ডকুমেন্টেশন, এক্সপোর্ট সার্টিফিকেশন, ডিজাইন ও পণ্য উন্নয়ন, গুণগত মান উন্নয়ন, সচেতনতা কর্মশালা, ক্রেতা-বিক্রেতা সম্মেলনের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে যার ফলে দিন দিন পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটপণ্যের রপ্তানি লক্ষ্য ধার্য করা হয়েছে ৭ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৯ টন, আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই পরিমাণ পৌঁছাবে ৪ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ টনে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাটশিল্পের উন্নয়ন ও উন্নত মানের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে চায় সরকার।











