চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নাটকীয় জয় পেল আর্সেনাল: শেষ মুহূর্তের 골ে স্পটলাইটে কপাল পুড়ল স্পোর্টিং সিপি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নাটকীয় জয় পেল আর্সেনাল: শেষ মুহূর্তের 골ে স্পটলাইটে কপাল পুড়ল স্পোর্টিং সিপি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম লেগের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে একটি রোমাঞ্চকর জয় আদায় করেছে আর্সেনাল। লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে স্পোর্টিং সিপির মুখোমুখি হয়ে ইনজুরি টাইমের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ইংরেজ ক্লাবটি। ম্যাচের শুরু থেকেই দুটি দলের মধ্যে জমজমাট লড়াই চললেও, শেষ মুহূর্তের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জয় নিশ্চিত করেন জার্মান তারকা কাই হাভার্টজ। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম লেগের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে একটি রোমাঞ্চকর জয় আদায় করেছে আর্সেনাল। লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে স্পোর্টিং সিপির মুখোমুখি হয়ে ইনজুরি টাইমের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ইংরেজ ক্লাবটি। ম্যাচের শুরু থেকেই দুটি দলের মধ্যে জমজমাট লড়াই চললেও, শেষ মুহূর্তের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জয় নিশ্চিত করেন জার্মান তারকা কাই হাভার্টজ। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দারুণ জয় দিয়ে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল গুগাররা।

প্রথমার্ধে ম্যাচের শুরুতেই আর্সেনালের দখলে ছিল বলের আধিক্য, তবে স্পোর্টিং সিপির ঘরের মাঠে দাপট দেখানোর চেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো। খেলার মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে স্পোর্টিং সিপির সামনে গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়, যখন মাক্সিমিলিয়ান আরাউহোর জোরালো শট ডেভিড রায়ার হাতে লেগে ক্রসবারে বাধা পায়। প্রথমার্ধে আর্সেনাল ৭০ শতাংশ বলের দখল রাখলেও, রক্ষণভাগে শক্তি দেখাতে পারছিল না। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের একটি দূরপাল্লার শট পাশাপাশি যায়, অন্য কোনও উল্লেখযোগ্য আক্রমণ দেখা যায়নি। বিপরীত দিকে ডেভিড রায়া বেশ কয়েকটি অনন্য সেভ দেখিয়ে দলের দুর্দান্ত রক্ষা করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে লড়াই আরো তীব্র হয়। ৬৩ মিনিটে মার্টিন জুবিমেন্দির দুর্দান্ত শটে গোল হলে কাননহেল্লে উত্তোলন হয়, কিন্তু ভিএআরের মাধ্যমে অফসাইডের বাঁধায় গোলটি বাতিল হয়। এরপর স্পোর্টিং আবারও আক্রমণে উঠে, ৮৭ মিনিটে কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজের নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টা রায়া অসাধারণ সেভ করে গোলের সম্ভাবনা রক্ষা করেন। পুরো ম্যাচে স্পোর্টিং ১১টি শট নেওয়া সত্ত্বেও, গোলের অভাবে ব্যর্থ হয়।

ভাবা হচ্ছিল, ড্রয়েই শেষ হতে যাচ্ছে ম্যাচ, কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ঘটে যায় ইতিহাস। ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা কাই হাভার্টজ দলের জন্য হিরো হয়ে ওঠেন। বাম প্রান্ত থেকে উইঙ্গার গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির সুন্দর ক্রসটি হাভার্টজ সহজে জালে জড়িয়ে দেয়। এই গোলেই পুরো গ্যালারিই স্তব্ধ, আর আর্সেনাল শিবির উল্লাসে ভেসে যায়।

এই জয়গুলো আর্সেনালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরোয়া প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই খুঁটিনাটিতে টিকে থাকা দলের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। শেষ পর্যন্ত, ফিরতি লেগ আগামী বুধবার এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ড্র করেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে আর্সেনাল, আর স্পোর্টিংয়ের সামনে থাকবে লড়াইয়ের অসাধ্য সফল করার চ্যালেঞ্জ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos