যেসব দেশ সহায়তা করছে না, তাদের দেখে নেব: ট্রাম্প

যেসব দেশ সহায়তা করছে না, তাদের দেখে নেব: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতি এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যেসব দেশ সহায়তা করবে না, তাদের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিশেষভাবে মনে রাখবে। গত রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কড়া বার্তা প্রদান করেন। ট্রাম্পের মতে, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতি এক চরম হুঁশিয়ারি

উচ্চারণ করে জানিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে

তোলার ক্ষেত্রে যেসব দেশ সহায়তা করবে না, তাদের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিশেষভাবে মনে

রাখবে। গত রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কড়া বার্তা

প্রদান করেন। ট্রাম্পের মতে, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই

জ্বালানি সরবরাহ পথে নিরাপত্তা বজায় রাখা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের একার দায়িত্ব নয়, বরং

সংশ্লিষ্ট প্রতিটি রাষ্ট্রের এটি একটি অপরিহার্য কর্তব্য।

বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত সাতটি দেশের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক টহল বা

‘পুলিশিং’ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে নিবিড় আলোচনা চালাচ্ছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য

হলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই অভিযানে কোন দেশগুলো সরাসরি সমর্থন

দিচ্ছে এবং কারা কৌশলে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে, তা তিনি এবং তাঁর প্রশাসন নিবিড়ভাবে

পর্যবেক্ষণ করছেন। এই অংশগ্রহণকে একটি ‘অত্যন্ত ছোট প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করে

তিনি বলেন, কোন দেশ এই আহ্বানে শেষ পর্যন্ত সাড়া দেয় তা দেখা হবে বেশ

কৌতূহলোদ্দীপক। যারা এই বৈশ্বিক সংকটে পাশে দাঁড়াবে না, ভবিষ্যতে তাদের বিষয়ে

যুক্তরাষ্ট্র ‘ভিন্নভাবে’ ভাববে বলেও তিনি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত মিত্র

দেশগুলোর ওপর এক ধরনের তীব্র মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। বিশেষ করে এশিয়াসহ

বিশ্বের যেসব দেশ নিয়মিত এই জলপথ দিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও তেল আমদানি করে,

তাদের ওপর দায়বদ্ধতার প্রশ্নটিই তিনি অত্যন্ত কঠোরভাবে সামনে নিয়ে এসেছেন।

ট্রাম্পের এই বার্তার মূল লক্ষ্য হলো মিত্র দেশগুলোকে সরাসরি সামরিক বা কৌশলগত

অংশগ্রহণে বাধ্য করা, যাতে এই অঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যয়ভার কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর

না পড়ে।

এর আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো এই অঞ্চলে সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর

বিষয়ে কিছুটা অনীহা প্রকাশ করেছিল। ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি মূলত সেইসব

দেশগুলোর অবস্থান পরিবর্তনের জন্য একটি বড় চাপ হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা

হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ওয়াশিংটনের এই প্রচ্ছন্ন হুমকির পর অস্ট্রেলিয়া বা জাপানের

মতো দেশগুলো তাদের বর্তমান অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনে কি না। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি

সরবরাহ সচল রাখতে ট্রাম্পের এই ‘পুলিশিং’ পরিকল্পনা এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে বর্তমানে

আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান

মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নতুন কোনো উত্তজনা সৃষ্টি করে কি না, সেটিই

এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos