প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক মাসের কম সময়ে জনগণের প্রতিশ্রুতি শুরু করেছি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক মাসের কম সময়ে জনগণের প্রতিশ্রুতি শুরু করেছি

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এক মাসের কম সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছেন। সম্প্রতি কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনার মাধ্যমে তারা এ প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তার সরকার পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবার, অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি পরিবার, এই ফ্যামিলি কার্ড

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এক মাসের কম সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছেন। সম্প্রতি কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনার মাধ্যমে তারা এ প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তার সরকার পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবার, অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি পরিবার, এই ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে যেতে পারে ভবিষ্যতে।

মঙ্গলবার ১০ মার্চ, রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে, কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি ১৭টি পরিবারে নারী নেত্রীর হাতে ফ্যামিলি কার্ডের রেপ্লিকা তুলে দেন। এর পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এক দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো জনগণ ও দেশের জন্য কার্যকর উন্নয়নমূলক কাজ করা। আমরা এমন একটি সরকার গড়ে তুলব যা জনগণের প্রতি জবাবদিহি করবে। নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার গঠন হলে দ্রুত এই কার্ড বিতরণ শুরু করব। আজ, জনগণের সমর্থনে গঠিত সরকারের এক মাসের কম সময়ের মধ্যে এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, আগামী মাসে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা চালু করা হবে, যা তারা পাবে কৃষি ঋণসহ সুবিধা। তিনি জানান, তার সরকার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অপ্রতিরোধ্য। গত সপ্তাহে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, কৃষকদের ওপর দিয়ে সুদসহ কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে।

বলে রাখা হয়, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত, ফলে তারা সর্বদা জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা ও দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুর দিকে জানানো হয়, এই কর্মসূচি প্রথমে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হবে। এজন্য সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করতে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos