আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কিউইদের নাস্তানাবুদ করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এই প্রথম কোনো দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টানা দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য রেকর্ড গড়ল সূর্যকুমার যাদবের দল। আহমেদাবাদের মাটিতে ট্রফি জয়ের মহোৎসবের মধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় একটি কৌতূহল ছিল শিরোপা জেতার সুবাদে ঠিক
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কিউইদের নাস্তানাবুদ করে টানা দ্বিতীয়বারের
মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল
ব্যবধানে হারিয়ে এই প্রথম কোনো দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টানা দুই আসরে
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য রেকর্ড গড়ল সূর্যকুমার যাদবের দল। আহমেদাবাদের মাটিতে ট্রফি
জয়ের মহোৎসবের মধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় একটি কৌতূহল ছিল শিরোপা জেতার সুবাদে ঠিক
কত টাকা পেল টিম ইন্ডিয়া। আইসিসির নির্ধারিত প্রাইজমানির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, রাজকীয় এই শিরোপার সাথে বিশাল অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও নিজেদের ঝুলিতে ভরে
নিয়েছেন সূর্যকুমার-বুমরাহরা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবারের আসরের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় ১৬০ কোটি
টাকার একটি বিশাল প্রাইজমানি ঘোষণা করেছিল। গত আসরের তুলনায় এবার পুরস্কারের মোট
অর্থের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সেই হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করার পাশাপাশি আইসিসি থেকে ভারত দল পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ৩৬
কোটি ৫৭ লাখ টাকা। গত ২০২৪ সালে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে রোহিত শর্মারা জিতেছিলেন
সাড়ে ২৯ কোটি টাকা; সে তুলনায় এবার প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি পাচ্ছেন বর্তমানের
বিশ্বজয়ীরা।
ফাইনাল ম্যাচে পরাজয় বরণ করলেও আর্থিকভাবে বড় অংক জমা হচ্ছে নিউজিল্যান্ড দলের
তহবিলেও। রানার্সআপ হওয়ার সুবাদে আইসিসি থেকে কিউইরা পেয়েছে সাড়ে ১৯ কোটি টাকা।
এছাড়াও যারা শিরোপা লড়াইয়ের কাছাকাছি গিয়ে সেমিফাইনালে বিদায় নিয়েছিল, এমন প্রতিটি
দলের পকেটে গেছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা করে। টুর্নামেন্টের সুপার এইট পর্বে জায়গা করে
নেওয়া অন্য প্রতিটি দলের ব্যাংকে গেছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা করে এবং যারা প্রাথমিক
ধাপ বা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে, অংশগ্রহণের স্বীকৃতি স্বরূপ আইসিসি তাদের ৩
কোটি টাকা করে প্রদান করেছে।
আইসিসির দেওয়া এই নির্ধারিত প্রাইজমানির বাইরেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য দেশীয়ভাবে
বড় অংকের পুরস্কার ঘোষণা আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) খেলোয়াড়দের জন্য ১২৫ কোটি রুপির বিশাল এক বোনাস
ঘোষণা করেছিল। এবার যেহেতু ভারত তৃতীয়বারের মতো বিশ্বসেরার তকমা পেল এবং ঘরের মাঠেই
গৌরবটি অর্জন করল, তাই এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে বিসিসিআই আরও বড় কোনো আর্থিক চমক
দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন শুধু দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্সে
রেকর্ড গড়া ভারতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ঠিক কত টাকার সুসংবাদ
দেয়।











