হারানোর কিছু নেই, সেরাটা দেওয়ার জন্যই লড়ছি: অধিনায়ক আফিদা

হারানোর কিছু নেই, সেরাটা দেওয়ার জন্যই লড়ছি: অধিনায়ক আফিদা

নারী এশিয়ান কাপের গ্রুপপর্বের গুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচে আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশ এইশানজেকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচটি, যা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় রেখে এসেছে। প্রতিপক্ষের র‍্যাঙ্কিং যে বিচারে শক্তিশালী, তার পরও এই ম্যাচটি জিতে সেরা ফলাফল অর্জন করতে পারলে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের গ্রুপপর্বে জয় হাসিল করবে লাল-সবুজের

নারী এশিয়ান কাপের গ্রুপপর্বের গুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচে আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশ এইশানজেকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচটি, যা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় রেখে এসেছে। প্রতিপক্ষের র‍্যাঙ্কিং যে বিচারে শক্তিশালী, তার পরও এই ম্যাচটি জিতে সেরা ফলাফল অর্জন করতে পারলে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের গ্রুপপর্বে জয় হাসিল করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এর ফলে কেবলমাত্র ইতিহাসই সৃষ্টি হবে না, বরং কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা থাকছে, যা অলিম্পিক ও বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নও আরও বেশিকরে সাজাবে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আগের দিন, পার্থ স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে কোচ পিটার বাটলার এবং অধিনায়ক আফিদা খন্দকার এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। মাঠের প্রতিরক্ষায় দলের দক্ষতা দেখানো আফিদা তাঁর পেশাদারিত্ব আর সংযত ভাষায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘কাল আমাদের গ্রুপের শেষ ম্যাচ। আমরা সবাই চেষ্টা করব আমাদের সেরাটা দেয়ার। এখানে আসলে আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা প্রথমবারের মতো এই আসরে কোয়ালিফাই করে আমাদের দেশের জন্য গর্বের বিষয় তৈরি করেছি।’ বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এই অর্জনের গুরুত্ব খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের পুরুষ দল এশিয়ান কাপ খেলেছিল, তবে কোনো জয় পায়নি। দীর্ঘ ৪৬ বছর পর নারী দল এশিয়া মহাদেশে তাদের প্রথম ধাপ রেখেই বিশ্বকে নিজেদের সক্ষমতা জানান দিয়েছে। আফিদা বিশ্বাস করেন, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয় সম্ভব এবং দলের প্রতিটি সদস্য মানসিকভাবে এই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। সংবাদ সম্মেলনে তাকে এক প্রশ্ন করা হয়—তাঁর কথা বলার ধরণ কি যেন ক্রিকেট তারকা মুস্তাফিজুর রহমানের মতো—এমন প্রশ্নের উত্তরে আফিদা বলেন, তিনি কাউকে অনুকরণ না করলেও, বিশ্বাস করেন, ‘কথার চেয়ে কাজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ’। তাঁর ভাষায়, মাঠে পারফরম্যান্স দিয়েই নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করা সবচেয়ে মূল। জয়ই এখন অন্য কোনো বিকল্প নেই, কারণ এই ম্যাচটি বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ বা জীবন-মরণ লড়াই। ড্র বা হার মানে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়। তাই সবাই একসঙ্গে মিলিমিশে সম্পূর্ণ শক্তি উজাড় করে লড়াইয়ে নেমে পড়তে প্রস্তুত। দেশবাসীর দোয়া নিয়ে পার্থের মাঠে নতুন ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos