পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিদের বিজিএমইএর সংবর্ধনা

পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিদের বিজিএমইএর সংবর্ধনা

দেশের গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সম্প্রতি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই শিল্পে সংশ্লিষ্ট নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রী ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের আন্তরিক স্বীকৃতি ও সম্মান জানিয়েছে। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি দেশের পোশাক খাতের উন্নয়নে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের উৎসাহিত করতে এবং শিল্পের উন্নয়নে তাদের অঙ্গীকারবদ্ধতা দৃঢ় করতে উদ্যোগী হয় বিজিএমইএ।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সম্প্রতি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই শিল্পে সংশ্লিষ্ট নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রী ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের আন্তরিক স্বীকৃতি ও সম্মান জানিয়েছে। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি দেশের পোশাক খাতের উন্নয়নে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের উৎসাহিত করতে এবং শিল্পের উন্নয়নে তাদের অঙ্গীকারবদ্ধতা দৃঢ় করতে উদ্যোগী হয় বিজিএমইএ।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ছাড়াও মোট ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, যার মধ্যে ছিলেন ১৬ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এবং একজন উপদেষ্টা, অংশ নেন। মূল লক্ষ্য ছিল এই শিল্পের অগ্রগতির জন্য সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সমর্থন ও সম্মাননা জানানো।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এই অনুষ্ঠানে বলেন, “আপনারা যেমন আপনারা এলাকার সমস্যা ও উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন, দেশের সমষ্টিগত উন্নতিতেও আপনাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আমাদের এই শিল্পের ক্ষেত্রেও আপনি সক্রিয় থাকবেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “পোশাক শিল্পের উন্নয়নই বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্যরা শক্তিশালী বক্তব্য দিয়ে এই শিল্পের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবেন এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যতায় নীতিনির্ধানে উদ্যোগী হবেন।

অন্যদিকে, বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান উল্লেখ করেন, “পোশাক শিল্প আমাদের দেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র, যা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” তিনি বিশ্বাস করেন যে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা অত্যন্ত কার্যকর হবে ব্যবসা-বান্ধব আইন প্রণয়নে এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়।

অতিথির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীগণ ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর; বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম; এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। প্রতিমন্ত্রী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, শিল্প, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে সাংসদ জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফয়সল, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, মো. আবুল কালাম, মো. লুৎফর রহমান, মো. জাকির হোসেন, মো. আবদুল্লাহ, মো. হান্নান এবং মো. শাহাদাত হোসেনের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে প্রকাশ করা হয়। এই সম্মাননা বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার ও শিল্পকে উন্নত করতে নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতীক।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos