পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানকে বিশ্বের সব সন্ত্রাসবাদীদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে অভিহিত করে এই দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই কঠোর বার্তা তিনি এক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি দুই দেশের মধ্যে চলমান সীমান্ত উত্তেজনা ও সংঘর্ষের মধ্যেও এই মন্তব্য করেছেন। খাজা আসিফ অভিযোগ করেন যে, তালেবান সরকার বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপের
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানকে বিশ্বের সব সন্ত্রাসবাদীদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে অভিহিত করে এই দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই কঠোর বার্তা তিনি এক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি দুই দেশের মধ্যে চলমান সীমান্ত উত্তেজনা ও সংঘর্ষের মধ্যেও এই মন্তব্য করেছেন।
খাজা আসিফ অভিযোগ করেন যে, তালেবান সরকার বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। গত রোববার পাকিস্তানের সেনা বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালায়। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই অভিযানে অন্তত ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে পাকিস্তান দাবি করেছে, যেখানে কাবুল বলছে নিহতের সংখ্যা ১৮।
অভিযানের প্রতি আফগান সেনারা পাল্টা হামলা চালিয়ে বলে অভিযোগ করেছে, যেখানে তাদের হামলায় পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র দুজন সেনার মৃত্যুর তথ্য স্বীকার করেছে। এই পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে, যেখানে খাজা আসিফ কড়া ভাষায় বলেছেন, ‘‘তালেবান সরকার পৃথিবীর সব সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। তারা ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীকে সমর্থন করে পাকিস্তানে নাশকতা সৃষ্টি করছে। আফগানিস্তান প্রতিবেশী হওয়ায় ওয়াকিবহাল ইসলামাবাদ, ফলে এখন এটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, এটি পাকিস্তান এবং তালেবান সরকারের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলেছে।’’
সুমোর এই সংকটপূর্ণ অবস্থা দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ভবিষ্যৎ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।











