প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গির শিক্ষিত এবং সুবিন্যস্ত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একজন দক্ষ সিইও’র মতো গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের সার্কিট হাউসে স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গির শিক্ষিত এবং সুবিন্যস্ত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একজন দক্ষ সিইও’র মতো গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের সার্কিট হাউসে স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল তার নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় প্রথম সফর।
উপদেষ্টা বিগত দেড় দশকের প্রশাসনিক ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনায় বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রশাসনকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহারের ফলশ্রুতিতে এটি তার নিজস্ব নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। তিনি সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছেন, একজন সফল প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাকারীর মতো প্রতিটি বিষয় নিবিড়ভাবে দেখছেন এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, দেশের প্রশাসন বর্তমানে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে, অনেকে দক্ষতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতির ওপর ভিত্তি করে, আমরা একটি নিরপেক্ষ, মেধাভিত্তিক ও শক্তিশালী প্রশাসন গড়ে তুলতে চাই, যা দেশের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে, প্রশাসক হিসেবে নয়। সকলের একযোগে কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অপপ্রথা, বৈষম্য, এবং দুর্নীতির মুক্ত একটি সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশের রূপ দিতে চাই।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সরকার একটি উদার গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলনেই বর্তমানে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বোঝাতে চান তিনি। রাজনীতি ও দায়িত্বের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের মূল পরিচয়, এটা আমাদের জন্য প্রথম। নির্বাচনের সময় পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়েছে। তাই আমাদের দায়িত্বও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোটের মাধ্যমে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার প্রতিফলন ঘটানোর জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের সকলের উচিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।’
সার্কিট হাউসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক তাকে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও উপস্থিত ছিলেন।











