গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করলেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করলেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আর কোনো দিন মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি ব্যক্ত করেন। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আর কোনো দিন মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি ব্যক্ত করেন। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, তিনি আগেই জানতেন যে, নতুন সরকারে মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ তিনি পাবেন না, তবে তারপরও শপথ অনুষ্ঠানে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। শিক্ষানবিশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজের ইচ্ছাতেই নিয়েছেন, তা তিনি স্পষ্ট করে বলেন। তিনি বলেন, তাঁর মূল লক্ষ্য জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা, মানুষকে সেবা দেওয়া এবং সমাজের বিশৃঙ্খলা ও অন্যায়দূর করতে তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন। মতবিনিময় সভায় তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির নৈতিক দায়িত্ব হলো নিয়মনীতি মানা, সরকারি শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা। নিজেকে তিনি মন্ত্রী হওয়ার মোহ থেকে দূরে রেখেছেন এবং সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবেন এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক মান-অভিমান নয়; বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনেরই অংশ। সভায় এলাকার উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিত কাজের উপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, আর উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপূর্ণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। এ ছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া এবং অন্যান্য উপজেলা দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos