অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের সময়সূচি এই প্রথমবারের মতো নির্ধারিত হলো। এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজটি আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিত হবে, যা আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে উভয় দলের জন্যই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সূচি অনুসারে, সিরিজের প্রথম টেস্টটি ১৩ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর, দ্বিতীয়
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের সময়সূচি এই প্রথমবারের মতো নির্ধারিত হলো। এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজটি আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিত হবে, যা আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে উভয় দলের জন্যই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সূচি অনুসারে, সিরিজের প্রথম টেস্টটি ১৩ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর, দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি ২২ থেকে ২৬ আগস্ট কুইন্সল্যান্ডের ম্যাককেতে আয়োজিত হবে।
প্রায় দুই দশক পরে বাংলাদেশ আবারও অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এর আগে, ২০০৩ সালে তারা প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া সফর করেছিল। যদিও ২০২০ সালে এই সিরিজের কথা ছিল, কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে তা পিছিয়ে যায়। দুই দেশ সর্বশেষ ২০১৭ সালে টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল। এবার ডারউইন ও ম্যাককেতে লাল বলের ক্রিকেট ফিরছে দীর্ঘ বিরতির পরে। বিশেষ করে ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ২০০৪ সালের পর এটি প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে এই ভেন্যুটি ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ও ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করে।
দুটি ভেন্যুই, ডারউইন ও ম্যাককেত, গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ‘টপ এন্ড’ সিরিজের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর আবারও সেখানকার মাঠে ফিরছে টেস্টের আড্ডা। বাংলাদেশ সিরিজ শেষ করে অস্ট্রেলিয়া দল কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে তিনটি টেস্টে অংশ নিতে। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ, এবং ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের জন্য ব্যস্ত থাকবেন অজি ক্রিকেটাররা।
এর পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়া ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রাখছে ভারতের বিপক্ষে আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে পাঁচ ম্যাচের হাই-ভোল্টেজ টেস্ট সিরিজ। এছাড়া, ২০২৬ সালের মার্চে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক বিশেষ টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই সব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের এই সফরটি অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ততম ক্রিকেট মৌসুমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।











